নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য এবং দুই উপাচার্যের পদত্যাগসহ চারটি দাবি জানিয়েছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। চবির বর্তমান প্রশাসনকে ‘জামায়াতপন্থি’ হিসেবে অভিহিত করে সংগঠনটি বলেছে, এই ‘অনিয়ম’ তাদের ‘সুপ্ত ফ্যাসিবাদী চরিত্রেরই উদাহরণ’। গতকাল বুধবার সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সংসদের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলমের সই করা বিবৃতিতে এসব দাবি ও প্রতিক্রিয়া তুলে ধরা হয়। খবর বিডিনিউজের।
এসব নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ছাত্রদলের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘গত ১৫ মাসে প্রকৃত জনবল চাহিদা না থাকা সত্ত্বেও শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী মিলিয়ে প্রায় ২৫০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং আরও ৩০৪টি পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।’
ছাত্রদলের অভিযোগ, গত দেড় বছরে ৫৫৪ জনের এই বিশাল নিয়োগ একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক গোষ্ঠীর প্রভাব বিস্তারের অংশ।
ছাত্রদলের চার দাবির মধ্যে রয়েছে, ১. স্পষ্ট স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের অভিযোগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও উপ–উপাচার্য তাঁদের পদে থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন; অবিলম্বে তাঁদের পদত্যাগ করতে হবে। ২. উপ–উপাচার্যের কন্যাসহ সকল বিতর্কিত ও অবৈধ নিয়োগ অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। ৩. ইউজিসির নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যারা নিয়োগ বোর্ড পরিচালনা করেছে, তাদের বিরুদ্ধে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। ৪. বিভাগীয় সভাপতিদের আপত্তি ও পরিকল্পনা কমিটির সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে দেওয়া সব নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করতে হবে এবং স্বচ্ছ ও ন্যায্য নিয়োগ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে হবে।












