মার্চের শেষ সপ্তাহ থেকে উত্তাল সাগর। বাতাসের গতিবেগও তীব্র। ফলে দুর্ভোগ ও ভোগান্তি বাড়ছে চট্টগ্রাম-সন্দ্বীপ নৌ যাতায়াতে। গত ১০ দিন যাবত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌ-পথ পাড়ি দিচ্ছে সন্দ্বীপ উপজেলার সাড়ে চার লাখ বাসিন্দা। কেউ লালবোটে উঠতে গিয়ে পড়ে যাচ্ছে, আবার কেউ স্টিমার থেকে নামার সময় পড়ে যাচ্ছে সাগরে।
গতকাল সোমবার কুমিরা থেকে যেসব যাত্রী লালবোটে করে স্টিমারে উঠেছে তাদের বেশিরভাগই সাগরের লোনা জলে ভিজতে হয়েছে। কারণ ঢেউয়ের সাথে সাথে লালবোট একবার পানিতে ডুবে যায় আবার উপরে উঠে। টিকেট কাউন্টার থেকে জানানো হয় সোমবার সন্দ্বীপ থেকে ৩৫০ জন আর কুমিরা থেকে ৪২৭ জন যাত্রী জাহাজে করে যাতায়াত করেছে। বাবুল আকতার নামে এক শিক্ষক বলেন, আমি আর আমার স্ত্রী চরম ঝুঁকি নিয়ে কুমিরাঘাট থেকে স্টিমারে উঠেছি। আমরা অত্যন্ত ভীতসন্ত্রস্ত এ ধরণের উঠানামার ব্যবস্থার কারণে। দুপাশে দুটা সিট্রাক দিলে যাতায়াত আরও সহজ ও নিরাপদ হবে বলে আশাকরি।
এ ব্যাপারে বিআইডব্লিউটিসির চট্টগ্রামের উপ-মহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) গোপাল চন্দ্র মজুমদার দৈনিক আজাদীকে বলেন, ৮টি কাঠবডির নৌকা দিতে বলা হলেও লালবোটের ইজারাদার সেটি দিচ্ছেন না। তারা বলছে স্টিমারের সাথে ভিড়ানোর ক্ষেত্রে এ নৌকাগুলো লালবোটের চেয়েও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হবে। তবে বিআইডব্লিউটিএ যদি খাল ড্রেজিং করে ভিতরে পল্টুন স্থাপন করে তাহলে জাহাজ পল্টুনের সাথে ভিড়তে পারবে। সেক্ষেত্রে যাত্রীদের উঠানামার ক্ষেত্রে ঝুঁঁকিও কমে যাবে।













