প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে ঈদ উপহার সামগ্রী নিয়ে জুলাই যোদ্ধা মো. জায়েদকে দেখতে তার বাসায় যান চট্টগ্রাম–৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান। গতকাল বুধবার বিকেলে তিনি ১৯ নং দক্ষিণ মাস্টারপুল এলাকায় সাবেক ছাত্রদল নেতা ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে চট্টগ্রামে আহত মো. জায়েদের বাসায় যান।
এ সময় তিনি দীর্ঘক্ষণ বসে জায়েদ ও তার পরিবারের সাথে কথা বলেন। তার চিকিৎসার সার্বিক খোঁজ–খবর নেন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেক ঈদ উপহার ও চিকিৎসার জন্য নগদ অর্থ তুলে দেন। পাশাপাশি জায়েদের পরবর্তী সুচিকিৎসায় যাবতীয় সহোযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। জায়েদ জুলাই অভ্যুত্থানে গুরুতর আহত হলেও তিনি বর্তমানে সি ক্যাটাগরিতে সরকারি চিকিৎসা ভাতা পেয়ে থাকে। এ বিষয়েও এমপি আবু সুফিয়ান সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে তার চিকিৎসা ভাতার ক্যাটাগরি পরিবর্তনে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এ সময় তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের মাইলফলক। এই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মত্যাগ জাতিকে অনুপ্রেরণা জোগাবে। কাঙিক্ষত পরিবর্তনের লক্ষ্যে প্রায় দুই হাজার মানুষ শহীদ হয়েছেন। অনেকে আহত হয়েছেন এবং অনেকে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। তাদের এই ত্যাগের বিনিময়ে যে বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন ছিল, সেই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তাহলেই শহীদদের আত্মা শান্তি পাবে।
আবু সুফিয়ান বলেন, জুলাইয়ের শহীদ পরিবার ও আহতদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে বিএনপি সবসময় তাদের পাশে থাকবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সবসময় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আহত ও নিহতদের পরিবারের খোঁজ–খবর নেন। সবসময় তাদের পাশে থাকেন এবং আগামীতেও থাকবেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর কৃষকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হক নাজু, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক এন মোহাম্মদ রিমন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মো. জায়েদ গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়। এ সময় একটি গুলি তার চোখের নিচ দিয়ে ঢুকে মস্তিষ্কে আঘাত করে। পরবর্তীতে তার মাথার খুলি খুলে মস্তিষ্কে অস্ত্রপাচার করা হয়। এখনো পুরোপুরি সুস্থ হননি তিনি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।










