ঈদ মানেই আনন্দ, ঈদ মানেই খুশি। তবে এই আনন্দ তখনই পূর্ণতা পাবে, যখন আমরা আমাদের চারপাশের সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের মুখে হাসি ফোটাতে পারবো। আমাদের সমাজের বিশাল এক অংশ দারিদ্র্যের কারণে ঈদের ন্যূনতম আনন্দটুকুও উপভোগ করতে পারে না। যেখানে সামর্থ্যবানদের ঘরে ঘরে দামী পোশাক আর বাহারি খাবারের আয়োজন চলে, সেখানে হয়তো বস্তি কিংবা রাস্তার ভাসমান কোনো শিশু একবেলা পেট ভরে খাওয়ার স্বপ্নে দিন কাটায়। সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দেওয়া কেবল দয়া নয়, বরং এটি আমাদের সামাজিক ও নৈতিক দায়িত্ব। নিজেদের বাজেট থেকে সামান্য অংশ বাঁচিয়ে আমরা অনায়াসেই একটি অনাথ শিশুকে নতুন জামা উপহার দিতে পারি। ঈদের দিনের বিশেষ খাবারের একাংশ যদি আমরা পথশিশুদের মাঝে বিলিয়ে দিই, তবে সেই খাবারের স্বাদ ও সার্থকতা বহুগুণ বেড়ে যাবে। এছাড়া ফিতরা বা যাকাতের অর্থ যদি পরিকল্পিতভাবে অভাবী মানুষদের হাতে পৌঁছে দেওয়া যায়, তবে তারা সম্মানের সাথে ঈদ পালন করতে পারবে। আমাদের সামান্য সহানুভূতি আর ভালোবাসার ছোঁয়ায় সুবিধাবঞ্চিতদের বিবর্ণ ঈদ বর্ণিল হতে পারে। সবার অংশগ্রহণে ঈদ হয়ে উঠবে সর্বজনীন এমনটাই প্রত্যাশা।
আশিক বিন আলম সোহাগ
শিক্ষার্থী, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ,
চট্টগ্রাম কলেজ।










