ঈদ সামনে এলেই বদলে যায় ঘরের পরিবেশ। বাজারের তালিকা লম্বা হয়, রান্নাঘরে বাড়ে ব্যস্ততা। ইফতারে হালিম, ঈদের সকালে সেমাই বা পায়েস, দুপুরে বিরিয়ানি –উৎসবের এই পরিচিত আয়োজনে এখন অনেক পরিবারের নির্ভরতার নাম কিষোয়ান গ্রুপ। মান, স্বাদ ও সহজ প্রস্তুত প্রণালির কারণে তাদের হালিম মিক্স, ক্ষীর ও পায়েস মিক্স, ফ্রুটেক্স পাউডার ড্রিংকস, লাচ্ছা সেমাই, বিরিয়ানি মসলা এবং চিনিগুড়া সুগন্ধি চালের চাহিদা ঈদ মৌসুমে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
তথ্যমতে, রোজার মাসে ইফতারের টেবিলে হালিমের কদর সবসময়ই বেশি। কিষোয়ানের হালিম মিক্স ব্যবহার করে স্বল্প সময়েই ঘন ও সুস্বাদু হালিম প্রস্তুত করা যায়। ব্যস্ততার মধ্যেও ঘরে তৈরি স্বাদের হালিম পরিবেশন করতে পারছেন অনেকেই।
ঈদের সকালে ক্ষীর বা পায়েস যেন এক আবেগের নাম। কিষোয়ানের ক্ষীর মিক্স ও পায়েস মিক্স পরিমিত উপকরণে প্রস্তুত হওয়ায় স্বাদ ও ঘনত্বে থাকে ঘরোয়া ঐতিহ্যের ছোঁয়া। খুচরা বিক্রেতারা জানান, ঈদের সপ্তাহজুড়ে এসব মিক্সের বিক্রি কয়েক গুণ বেড়ে যায়। অনেক পরিবার একসঙ্গে কয়েক প্যাকেট কিনে রাখেন।
ঈদের সঙ্গে লাচ্ছা সেমাইয়ের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। কিষোয়ানের লাচ্ছা সেমাই সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রে উৎপাদিত হওয়ায় মানে থাকে স্থিরতা। রান্নার আগে মচমচে আর রান্নার পর নরম স্বাদ –এই দুই বৈশিষ্ট্যের কারণে এটি দ্রুত জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
ঈদের প্রধান আকর্ষণ বিরিয়ানি। সেই বিরিয়ানির স্বাদ অনেকটাই নির্ভর করে চাল ও মসলার ওপর। কিষোয়ানের বিরিয়ানি মসলা ও চিনিগুড়া সুগন্ধি চাল বাজারে আলাদা অবস্থান তৈরি করেছে। সুগন্ধি চালের ঝরঝরে দানা এবং পরিমিত মসলার সমন্বয়ে ঘরেই তৈরি করা যাচ্ছে উৎসবের উপযোগী বিরিয়ানি। পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদকে সামনে রেখে বিরিয়ানি মসলা ও চিনিগুড়া চালের বিক্রি অন্যান্য সময়ের তুলনায় কয়েক গুণ বৃদ্ধি পায়।
ইফতার কিংবা ঈদের অতিথি আপ্যায়নে শরবত অপরিহার্য। কিষোয়ানের ফ্রুটেক্স পাউডার ড্রিংকস বিভিন্ন স্বাদে সহজে প্রস্তুত করা যায়। বিশেষ করে শিশু–কিশোরদের মধ্যে এ পণ্যের চাহিদা বেশি।
নগরীর এক গৃহিণী বলেন, আগে আলাদা আলাদা উপকরণ কিনে হালিম বা পায়েস বানাতে সময় লাগত। এখন মিক্স ব্যবহার করলে ঝামেলা কমে গেছে। স্বাদও ভালো থাকে। ঈদের বাজারে তাই কিষোয়ানের পণ্যই আগে কিনি।
কিষোয়ান ফুডের মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মোহাম্মাদ কফিল উদ্দিন চৌধুরী বলেন, উৎসবের সময় ভোক্তাদের প্রত্যাশা বেশি থাকে। আমরা কাঁচামাল নির্বাচন থেকে উৎপাদন ও প্যাকেটজাতকরণ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে মান নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করি। ক্রেতারা যেন আস্থা নিয়ে পণ্য ব্যবহার করতে পারেন, সেটিই আমাদের অঙ্গীকার। তিনি আরও জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর হালিম মিঙ, লাচ্ছা সেমাই ও বিরিয়ানি মসলার বিক্রি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। পাশাপাশি ক্ষীর ও পায়েস মিঙও ভালো সাড়া পাচ্ছে।
ঈদ মানে শুধু উৎসব নয়, পরিবারের সঙ্গে একসঙ্গে বসে খাওয়ার আনন্দ। সেই আনন্দকে সহজ ও স্বাদে ভরপুর করতে কিষোয়ানের পণ্যগুলো ইতোমধ্যে অনেক পরিবারের রান্নাঘরে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে।












