আসন্ন ঈদুল ফিতরের টানা সাত দিনের ছুটিকে ঘিরে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে ব্যাপক পর্যটক সমাগমের আশা করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। ইতোমধ্যে পর্যটকদের বরণে জেলায় শুরু হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। পাহাড়, অরণ্য, ঝিরি–ঝরনা ও মনোরম উপত্যকা ঘেরা খাগড়াছড়ির আলুটিলা রহস্যময় সুড়ঙ্গ, ঝুলন্ত ব্রিজ, তারেং ও রিছাং ঝরনাসহ দর্শনীয় স্থানগুলো এখন পর্যটকদের বরণে প্রস্তুত।
ব্যবসায়ীদের ধারণা, এবারের দীর্ঘ ছুটিতে খাগড়াছড়ি ও সাজেক মিলিয়ে অন্তত অর্ধলক্ষাধিক পর্যটকের সমাগম ঘটবে। ঈদকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে মেরামত ও সংস্কার কাজ চলছে। খাগড়াছড়ি পর্যটন মোটেলের ইনচার্জ ক্যাচিং মারমা জানান, ঈদের পরদিন থেকে তাদের ৮০ শতাংশ কক্ষ বুকিং হয়ে গেছে। টানা ৫–৭ দিন পর্যটকদের এই চাপ থাকবে বলে তিনি আশা করছেন। অন্যান্য হোটেল–মোটেলেরও প্রায় ৫০ শতাংশ কক্ষ ইতোমধ্যে বুকিং হয়ে গেছে বলে জানা গেছে। আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্রে দায়িত্বরত কোকোনাথ ত্রিপুরা ও তত্ত্বাবধায়ক চন্দ্রকিরণ ত্রিপুরা জানান, রমজানে পর্যটক কম আসায় যে ক্ষতি হয়েছে, ঈদের ছুটিতে প্রচুর পর্যটক সমাগমের মাধ্যমে তা পুষিয়ে নেওয়ার আশা করছেন তারা। পর্যটকদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
এদিকে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশ ও ট্যুরিস্ট পুলিশ তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। খাগড়াছড়ি ট্যুরিস্ট পুলিশের উপপরিদর্শক নিশাত রায় বলেন, ঈদের সময় এবং পরবর্তী সময়ে প্রতিটি পর্যটন কেন্দ্রে আমাদের টিম কাজ করবে। তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি মোবাইল টিমও সক্রিয় থাকবে। দুর্গম এলাকায় কোনো পর্যটক বিপদে পড়লে জাতীয় জরুরি পরিষেবা ৯৯৯ নম্বরে কল দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।












