স্পেনের হয়ে এরই মধ্যে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ জেতা লামিনে ইয়ামাল এবার উন্মুখ বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেতে। ইয়ামালের প্রতিভা যেমন আকাশছোঁয়া, স্বপ্নও তেমনি। ১৮ বছর বয়সী এই তরুণের চোখে এখন উঁকি দিচ্ছে এই নতুন স্বপ্ন। ২০২৬ বিশ্বকাপের খুব বেশি দেরি নেই। আগামী জুন–জুলাইয়ে মেঙিকো, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাতে শুরু হবে বৈশ্বিক ফুটবলের সর্বোচ্চ আসর। ‘এইচ’ গ্রুপে ২০১০ সালের চ্যাম্পিয়ন স্পেনের সাথে আছে কেপ ভার্দ, সৌদি আরব ও বিশ্বকাপের প্রথম আসরের চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ে। অনাকাঙ্খিত কিছু না ঘটলে চলতি মৌসুমে ক্লাব ফুটবলের আঙিনায় আলো ছড়িয়ে চলা ইয়ামাল নিশ্চিতভাবেই থাকবেন স্পেন দলে। বার্সেলোনার জার্সিতে এরই মধ্যে ১৫ গোল করেছেন, ১৩ গোলে রেখেছেন অবদান। ফুটবল খেলাটিকে শিশুরা যেমন উপভোগের দৃষ্টিতে দেখে, ইয়ামালও তেমনি করে দেখেছেন; উপভোগ করছেন, রেকর্ড ভাঙা–গড়ার খেলায় মেতে অভিষ্ঠ লক্ষের পানে ছুটছেন দারুণ গতিতে। ইএসপিএনের সাথে আলাপচারিতায় ইয়ামাল এবার জানালেন, তার পরবর্তী লক্ষ্য পাঁচ মাস পর মাঠে গড়াতে যাওয়া বিশ্বকাপ। এরই মধ্যে স্পেনের হয়ে ২০২৪ সালে ইউরো জিতেছেন; এবার তিনি আরও বড় আঙিনায় সাফল্যের আনন্দে ভাসতে উন্মুখ। বিশ্বকাপ খেলতে মেঙিকো গিয়ে দেশটির খাবার তাকোসের স্বাদ নেওয়ার কথাও এই ফরোয়ার্ড জানালেন এক গাল হেসে। ‘এখনও পথচলার অনেক বাকি, কিন্তু শিহরণ সব স্প্যানিয়ার্ডের মতোই। আমরা জিততে চাই (বিশ্বকাপ) এবং এজন্য আমরা সবটুকু নিংড়ে দিতে চাই। আমি কখনও সেখানে (মেঙিকো) যাইনি। আমি কিছু তাকোস (গমের রুটি, মাংস, সস, পনির ও শাকসবজি দিয়ে বানানো এক ধরণের মেঙিকান খাবার) খাওয়ার চেষ্টা করব।’ অল্প বয়সেই নাম–যশ–খ্যাতি সবই মিলেছে ইয়ামালের। তবে আলাপচারিতায় তার শিশুতোষ বিষয়গুলোও উঠে এসেছে। বার্সেলোনার ‘নাম্বার–১০’ বলেছেন, মাঠের বাইরে সাদাসিধে জীবনযাপনেই সাচ্ছ্বন্দ্যবোধ করেন তিনি। ‘বাচ্চারা যা করে, আমিও তাই করি: বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেই, ভাইকে দেখভাল করি, প্লে–স্টেশন খেলি, হাঁটাহাঁটি করে বেড়াই। আমি কেবল ফুটবল নিয়ে পড়ে থাকার চেষ্টা করি না। ম্যাচের কথা ভেবে বা যে সব ফুল–ব্যাকের মুখোমুখি হয়েছি, তাদের ভিডিও দেখে সারা দিন পার করি না। দিনটি উপভোগ করি এবং যখন মাঠে নামি, নিজের সবটুকু ঢেলে দেই। কিন্তু যখন আমি মাঠের বাইরে যাই, এগুলো দূরে ঠেলে দেই।’












