ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মাওলানা এ এম মঈনউদ্দীন চৌধুরী হালিম বলেছেন– ১৯৮৬ সালের ১০ এপ্রিল চট্টগ্রাম কমার্স কলেজে অনুষ্ঠিত ইসলামী ছাত্রসেনার নবীন বরণ অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে কলেজ ক্যাম্পাসেই দুর্বৃত্তরা অত্যন্ত নৃশংসভাবে শহীদ করে। ইতোমধ্যে শহীদ লিয়াকত হত্যার চার দশক অতিক্রান্ত হতে চলেছে। অথচ এখনো এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচারের কোন কিনারা হয়নি। যা আইনের শাসনের দুর্বল চিত্রেরই বহিঃপ্রকাশ বলে তিনি মন্তব্য করে অবিলম্বে এ হত্যাকাণ্ডের বিচার আয়োজনে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানান।
শহীদ লিয়াকত দিবস উপলক্ষে ইসলামী ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় পর্ষদ ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইসলামী ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম মহানগর এর উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত মন্তব্য করেন। চান্দগাঁও মৌলভী পুকুর পাড়স্থ মাজার প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিল ছাড়াও শহীদের মাজারে কোরআনখানি, পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। ইসলামী ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি ছাত্রনেতা মুহাম্মদ শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন– ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মাওলানা এ এম মঈনউদ্দীন চৌধুরী হালিম। উদ্বোধক ছিলেন ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের চট্টগ্রাম মহানগর সহ সভাপতি মাওলানা কাজী মফিজুর রহমান। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হাফেজ মাওলানা আব্দুস সামাদ, এম.এন.আবছার, মাওলানা কাজী আহছানুল আলম, এম. ইউসুফ কবির, মসরুর রহমান, এইচ.এম.ওমর ফারুক, রিয়াদ মামুন, মাহমুদুল হাসান জুয়েল, নুরুদ্দিন রাকিব ও মহরম আলী প্রমুখ। পরিশেষে আখেরী মুনাজাত করেন ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ চট্টগ্রাম নগর সহ সভাপতি মাওলানা কাজী মফিজুর রহমান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।













