প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হামলার নির্দেশ দিলে ইরানে টানা কয়েক সপ্তাহব্যাপী দীর্ঘ অভিযানের যে সম্ভাবনা রয়েছে মার্কিন বাহিনী এখন তার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন দুই কর্মকর্তা। মার্কিন পরিকল্পনার ধরন সংবেদনশীল হওয়ায় নাম প্রকাশ না করার শর্তে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে তারা একথা জানান। খবর বিডিনিউজের। শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ইরানে অভিযান চালালে, তা দুই দেশের আগের সংঘাতগুলোর তুলনায় দীর্ঘ ও ভয়াবহ হতে পারে বলে বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন। সংঘাত এড়াতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে এখনও কূটনৈতিক আলোচনা চলছে। তার মধ্যেই দুই মার্কিন কর্মকর্তার এমন ভাষ্য পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করে তুলতে পারে বলেও শঙ্কা রয়েছে। ওমানে দুই পক্ষের আলোচনার মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে তার সমরশক্তি বাড়িয়েই যাচ্ছে। সমপ্রতি তারা ওই অঞ্চলে আরেকটি বিমানবাহী রণতরী পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে। ইরানে হামলা নিয়ে ট্রাম্পের হুমকির পর জানুয়ারি থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে আছে বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন, তার সঙ্গে ইউএসএস গেরাল্ড আর ফোর্ড যোগ দিলে উত্তেজনার পারদ নিঃসন্দেহে নতুন উচ্চতায় উঠবে। বিমানবাহী রণতরীর পাশাপাশি ওই অঞ্চলে গত কয়েক সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে বিপুল সংখ্যক সেনা, যুদ্ধজাহাজ, যুদ্ধবিমান ও সমরাস্ত্র জড়ো করেছে। মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটির সংখ্যাও কম নয়, সেগুলোতেও সমপ্রতি ব্যাপক নড়াচড়া দেখা গেছে। শুক্রবার নর্থ ক্যারোলাইনার এক ঘাঁটিতে মার্কিন সেনাদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তৃতায় ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছানো বেশ কঠিন। কখনো কখনো ভয় দেখানো উচিত। এটা এমন এক জিনিস যা সত্যিই পরিস্থিতি সামলাতে সহায়তা করে, বলেছেন তিনি।












