ইরানে আমেরিকা ও ইসরায়েলের সামরিক হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ উচ্চ পর্যায়ের কয়েকজন মন্ত্রী এবং একটি গার্লস স্কুলের ১৮০ জন ছাত্রীসহ অসংখ্য নিরীহ শিশু, নারী–পুরুষ নিহত হওয়ার ঘটনায় গভীর শোক, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন গণসংহতি আন্দোলন (জিএসএ) চট্টগ্রাম মহানগর সমন্বয়কারী চিরন্তন চিরু ও নির্বাহী সমন্বয়কারী মো. মোরশেদুল আলম। গতকাল সোমবার এক বিবৃতিতে তারা পাকিস্তান–আফগানিস্তান সীমান্তে চলমান সংঘাতেরও প্রতিবাদ জানান। নেতৃবৃন্দ বলেন, মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ও ইসরায়েলের জায়নবাদী আগ্রাসন ইরানের সার্বভৌমত্বের উপর সরাসরি আঘাত এবং আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। কোনো স্বাধীন রাষ্ট্রের উপর সামরিক আগ্রাসন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। প্রতিটি দেশের জনগণই তাদের রাষ্ট্রের নীতি নির্ধারণ করবে। বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ আমরা দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করি। আমরা মনে করিয়ে দিতে চাই, যুদ্ধে সবচেয়ে ভয়াবহ নির্যাতন ও ধ্বংসের শিকার হয় নিরপরাধ শিশু ও নারীরা। আজ আমরা দেখছি জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও বিশ্ব নেতাদের অনেকেই নীরব। এই নীরবতা মানবতার বিরুদ্ধে এক ধরনের সমর্থন হিসেবেই বিবেচিত হবে। আমরা অবিলম্বে সকল প্রকার সামরিক আগ্রাসন বন্ধ করে সংলাপ, ন্যায়বিচার ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পুনর্গঠনের আহ্বান জানাই। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে কর্মরত বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানানো হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












