ইসরায়েলের পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে অভিযুক্ত এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে ইরান। গতকাল বুধবার দেশটির বিচার বিভাগের দাপ্তরিক সংবাদ সংস্থা মিজানের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত ওই ব্যক্তিকে কুরোশ কেইভানি হিসেবে শনাক্ত করেছে সংবাদ সংস্থাটি। খবর বিডিনিউজের।
মিজানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই ব্যক্তি ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদকে ইরানের সংবেদনশীল স্থাপনার ছবি ও তথ্য সরবরাহ করার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন। খবর বিডিনিউজের।
ইসরায়েলের সঙ্গে কয়েক দশকের দীর্ঘ ‘ছায়া যুদ্ধে’ লিপ্ত ইরান এর আগেও মোসাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার এবং দেশটির অভ্যন্তরে মোসাদের কার্যক্রমে সহায়তা করার অভিযোগে অভিযুক্ত অনেকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে। এবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মধ্যে ইরান সন্দেহভাজন গুপ্তচরদের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান শুরু করেছে।
ইরানের শত্রুদের সঙ্গে তথ্য শেয়ার করার অভিযোগে দেশটির কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি ৫০০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানিয়েছেন ইসলামিক প্রজাতন্ত্রটির পুলিশ প্রধান আহমদরেজা রাদান। রোববার তিনি বলেন, বিমান হামলায় যেসব লক্ষ্যবস্তু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এরা সেগুলোর তথ্য পাচার করেছে আর অনেকে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার ভিডিও করে সেগুলো পাঠিয়ে দিয়েছে।
এর আগে ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছিল, এসব অভিযোগে রোববার ইরানের বেশ কয়েকটি অঞ্চল থেকে বহুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ইসরায়েলের সামরিক কৌশলের বিষয়ে অবগত এক সূত্র চলতি সপ্তাহে রয়টার্সকে জানায়, ইরানের ভেতরে থাকা গুপ্তচরদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ইসরায়েল ইরানি নিরাপত্তা চেকপয়েন্টগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার মাধ্যমে দেশটিতে আক্রমণের এক নতুন পর্ব শুরু করেছে।









