নারী এশিয়া কাপে গতকাল ছিল ‘এ’ গ্রুপের দুটি ম্যাচ। বাংলাদেশের নজর ছিল ইরান ও ফিলিপাইন ম্যাচের দিকে। ফিলিপাইন ২–০ গোলে ইরানকে হারিয়েছে। এতে ফিলিপাইন ৩ পয়েন্ট নিয়ে (-২) গোল ব্যবধানে এ গ্রুপের তৃতীয় অবস্থানে। নারী এশিয়া কাপে ১২ দল অংশগ্রহণ করছে। তিন গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপের পাশাপাশি তৃতীয় স্থানে থাকা সেরা দুই দলও কোয়ার্টার ফাইনাল খেলবে। বাংলাদেশের লক্ষ্য সেরা দুই তৃতীয় স্থানে জায়গা করে নেওয়া। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে বাংলাদেশকে উজবেকিস্তানকে শুধু হারালেই হবে না গোল ব্যবধান বাড়াতে হবে। ‘সি’ গ্রুপে ইতোমধ্যে তৃতীয় স্থানে থাকা দলের তিন পয়েন্ট হয়েছে। ভিয়েতনাম ও চাইনিজ তাইপে উভয়ের ৩ পয়েন্ট। শেষ ম্যাচে ভিয়েতনামের প্রতিপক্ষ সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন জাপান। আর চাইনিজ তাইপের ভারত। জাপান ভিয়েতনামকে ৪ গোলের ব্যবধানে হারালে ভিয়েতনামের গোল ব্যবধান দাঁড়াবে –৪। ভারত যদি চাইনিজ তাইপেকে ৩ গোলের ব্যবধানে হারায় তখন চাইনিজ তাইপের গোল ব্যবধান –৪ হবে। ভারতের ৩ পয়েন্ট হলেও গোল ব্যবধান কমে –১২ থেকে –৯ এ নামলেও কোয়ার্টারে খেলার জন্য যথেষ্ট হবে না। বাংলাদেশ ও উজবেকিস্তান উভয় দলের সমান ০ পয়েন্ট। বাংলাদেশের গোল ব্যবধান – ৭ আর উজবেকিস্তানের –৬। বাংলাদেশ উজবেকিস্তানের সঙ্গে জিতলেই হবে না বড় ব্যবধান নিতে হবে। উজবেকিস্তানকে ন্যূনতম ৩/৪ গোলের ব্যবধানে হারাতেই হবে বাংলাদেশকে। তখন বাংলাদেশের গোল ব্যবধান দাঁড়াবে –৩/৪। এরপর বাংলাদেশকে তাকিয়ে থাকতে হবে ভারত ও জাপানের দিকে। ভারত ৪ গোলে চাইনিজ তাইপেকে ও জাপান ৫ গোলে ভিয়েতনামকে হারালে তখন বাংলাদেশ তৃতীয় স্থানের দ্বিতীয় সেরা দল হতে পারবে।বাংলাদেশের কোয়ার্টার ফাইনাল খেলা কার্যত এখন কঠিন। সমীকরণ কঠিন হলেও বাংলাদেশকে জিততে হবে আগে। ড্র হলে বাংলাদেশ ও উজবেকিস্তান কোনো দলেরই কোয়ার্টার ফাইনাল খেলা হবে না। কোয়ার্টার ফাইনালে না উঠলে অলিম্পিক বাছাই ও বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্নও শেষ হয়ে যাবে।












