“কেউ ঘুমিয়ে থাকলে তাকে জাগানো যায়, ঘুমের ভান করে জেগে থাকলে তাকে জাগানো দায়” প্রতিনিয়ত ভুলে ভরা আমাদের জীবন। মানুষ ভুল করে, ভুল হয় তা স্বাভাবিক বিষয়। তাই বলে, সবকিছুতে অবহেলা করা ঠিক নয়। ইংরেজরা কোন সাল সৃষ্টি করেনি। ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতনের পর বিশ্বাস ঘাতক মীর জাফরের মাধ্যমে ইংরেজরা এ উপমহাদেশে শোষণের রাজত্ব চালায় ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত। (১৯৪৭-১৭৫৭)= ১৯০ বছর পর্যন্ত তাদের মাত্রাতিরিক্ত শাসন, শোষণ আর অত্যাচারের কারণে তারা তাদের ঘরে চলে যেতে বাধ্য হয়। যীশু খ্রিস্টের (হযরত ঈসা আ.) আবির্ভাবের পর খ্রিস্টের নামানুসারে খ্রিস্টাব্দ গণনা শুরু হয়। বিষয়টা সবার কাছে গুরুত্বপূর্ণ না হলেও গুরুত্ববহ। অনেকে না জেনে লেখেন, অনেকে দেখতে দেখতে অভ্যস্ত হয়ে গেছেন। অনেকে বলেন, এটা প্রচলিত হয়ে গেছে তাই এটা প্রচলিত শুদ্ধ। যা প্রচলন তা যদি শুদ্ধ হয় তাহলে অতো লেখাপড়ার দরকার কি? অনেকে বলেন, সবাই তো লেখে। সবাই তো সবার শিক্ষক নয়! বিশেষ করে, স্থাপিত : ২০২০ ইংরেজি, তারিখ: ২৬. ১২. ২০২০ ইংরেজি, এ ভুলগুলো যখন কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড, ব্যানারে এবং প্রকাশনায় দেখা যায় তখন তা প্রশ্নবিদ্ধ মনে হয়।