আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত

অবস্থান শনাক্ত করে সিআইএ, বোমা ফেলে ইসরায়েল নিক্ষেপ করা হয় ৩০টি বোমা হামলায় ৩০ জন জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা নিহত, দাবি ইসরায়েলের ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা

আজাদী ডেস্ক | সোমবার , ২ মার্চ, ২০২৬ at ৬:১৮ পূর্বাহ্ণ

১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্বে থাকা পশ্চিমাদের ঘোষিত শত্রু আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রথম দফায় নিহত হয়েছেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। গতকাল রোববার সকালে ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যম নিশ্চিত করে জানায়, শনিবার তার কম্পাউন্ডে মার্কিনইসরায়েলি হামলায় খামেনির মৃত্যু হয়েছে।

খামেনির মৃত্যুতে ইরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যম জানিয়েছে, খামেনি তার নির্ধারিত দায়িত্ব পালন করছিলেন এবং তার কর্মক্ষেত্রে (দপ্তরে) উপস্থিত ছিলেন। শনিবার সকালের প্রথম কয়েক ঘণ্টায় এই কাপুরুষোচিত হামলাটি ঘটেছে।

এক বিবৃতিতে ইরানের রেভুল্যুশনারি গার্ড বলেছে, আমরা একজন মহান নেতাকে হারিয়েছি আর আমরা তার জন্য শোক করছি। তিনি এমন একজন নেতা যিনি আত্মার পবিত্রতা, ঈমানের দৃঢ়তা, সৃজনশীল মানসিকতা, অহংকারীদের মুখোমুখি হওয়ার সাহস ও আল্লাহর পথে জিহাদের ক্ষেত্রে অনন্য ছিলেন। খবর বিডিনিউজ, বাসস ও বিবিসি বাংলার।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, শনিবার খামেনির কম্পাউন্ডে যুক্তরাষ্ট্রইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় তার মৃত্যু হয়েছে। ইরানের আধা স্বায়ত্তশাসিত বার্তা সংস্থা তাসনিম বলেছে, ইরানি জনগণের কাছে ঘোষণা করা হচ্ছে যে তাদের মহামান্য আয়াতুল্লাহ ইমাম সৈয়দ আলি খামেনি, ইসলামি বিপ্লবের নেতা, শনিবার ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে আমেরিকা ও জায়োনিস্ট শাসনের চালানো যৌথ হামলায় শহীদ হয়েছেন।

ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যম জানিয়েছে, শনিবার সকালে তেহরানে খামেনির কম্পাউন্ডে ওই হামলায় খামেনির সঙ্গে তার কন্যা, কন্যার স্বামী ও নাতি নিহত হয়েছেন। এর আগে ট্রাম্প জানান, খামেনি ও অন্য শীর্ষ ইরানি কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা ও অত্যাধুনিক ট্র্যাকিং সিস্টেম এড়াতে পারেননি।

হামলায় যুক্ত ছিল ২শ যুদ্ধবিমান : ইসরায়েলের বিমান বাহিনী জানিয়েছে, শনিবার ইরানে তারা প্রায় ২০০ বিমান নিয়ে তাদের সর্ববৃহৎ হামলা চালিয়েছে। দেশটির সামরিক বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, ব্যাপক এই হামলায় ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার ও এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, ভোরে তাদের যুদ্ধবিমানগুলো ইরানের পশ্চিমাঞ্চলে ও মধ্যাঞ্চলে অন্তত ৫শ সামরিক লক্ষ্যস্থলে প্রায় একই সঙ্গে শত শত বোমাবর্ষণ করেছে।

অবস্থান শনাক্ত করে সিআইএ, বোমা ফেলে ইসরায়েল : ইসরায়েলি জঙ্গিবিমান খামেনির কমপাউন্ডে ৩০টি বোমা নিক্ষেপ করে। তাতে ওই কমপাউন্ড পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়ে যায়। ইরানের শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃবৃন্দ যে শনিবার সকালে তেহরানের একটি সরকারি কমপাউন্ডে বৈঠকে বসতে যাচ্ছে, সে তথ্য আগেই জেনে গিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ। যুক্তরাষ্ট্র ওই তথ্য দেয় ইসরায়েলকে। এর ভিত্তিতে ইসরায়েল হামলার সময়সূচি পরিবর্তন করে দিনের আলোয় আঘাত হানে। আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ ডজনখানেক শীর্ষ কর্মকর্তা সেই হামলায় নিহত হন।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে লিখেছে, ইসরায়েলি জঙ্গিবিমান খামেনির কমপাউন্ডে ৩০টি বোমা নিক্ষেপ করে। তাতে ওই কমপাউন্ড পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়ে যায়। অভিযান শুরু হয় ইসরায়েল সময় শনিবার সকাল ৬টার দিকে। তেহরান সময় সকাল প্রায় ৯টা ৪০ মিনিটে, অর্থাৎ জঙ্গিবিমান ওড়ার দুই ঘণ্টা পাঁচ মিনিট পর কমপাউন্ডে আঘাত হানে বোমা।

খামেনির অবস্থান সম্পর্কে নির্ভুল তথ্য : নিউ ইয়র্ক টাইমস লিখেছে, সিআইএ কয়েক মাস ধরে খামেনির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছিল এবং তার অবস্থান ও চলাচলের ধরন সম্পর্কে ক্রমশ নিশ্চিত হচ্ছিল। এর ধারাবাহিকতায় সিআইএ জানতে পারে, শনিবার সকালে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে একটি কমপাউন্ডে শীর্ষ ইরানি কর্মকর্তাদের বৈঠক হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, সেখানে উপস্থিত থাকবেন খামেনি।

সিআইএ খামেনির অবস্থান সম্পর্কে এই উচ্চমাত্রার নির্ভুল তথ্য ইসরায়েলের কাছে হস্তান্তর করে। ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে নিউ ইয়র্ক টাইমস লিখেছে, গোয়েন্দারা একটি নয়, একযোগে তিনটি বৈঠকের তথ্য শনাক্ত করেছিলেন। বৈঠকগুলো হচ্ছিল ইরানের প্রেসিডেন্সি কার্যালয়, সর্বোচ্চ নেতার দপ্তর এবং জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের কার্যালয়ে। ইসরায়েলের মূল পরিকল্পনা ছিল রাতের অন্ধকারে হামলা চালানো। কিন্তু দিনের বেলায় বৈঠকের তথ্য পাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলার সময় পরিবর্তন করে।

ইসরায়েলের সাবেক সামরিক গোয়েন্দা প্রধান আমোস ইয়াদলিন ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে বলেন, সবাই অপেক্ষা করছিল, হামলা হবে মধ্যরাতে, অন্ধকারের আড়ালে। গত জুনে ইরানের উপর আকস্মিক হামলার শুরুতেও ইসরায়েল রাতে আঘাত হেনেছিল। তবে এবার দিনের আলোয় হামলা কৌশলগতভাবে প্রতিপক্ষকে বিস্মিত করতে পেরেছে।

শীর্ষ ইরানি কর্মকর্তারা নিহত : ইসরায়েলের ওই হামলায় খামেনির পাশাপাশি ইরানের একাধিক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, ইরানের সামরিক পরিষদের প্রধান ও খামেনির শীর্ষ নিরাপত্তা উপদেষ্টা রিয়ার অ্যাডমিরাল আলি শামখানি এবং বিপ্লবী গার্ড কোরের কমান্ডার মেজর জেনারেল মোহাম্মদ পাকপুরও নিহত হয়েছেন।

ইসরায়েল দাবি করেছে, ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসিরজাদেহও নিহত হয়েছেন। ওই বৈঠকে বিপ্লবী গার্ড কোরের অ্যারোস্পেস কমান্ডার সাইয়্যেদ মাজিদ মুসাভি ও ডেপুটি ইনটেলিজেন্স মিনিস্টার মোহাম্মদ শিরাজিসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন। নিউ ইয়র্ক টাইমস লিখেছে, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর এক কর্মকর্তার লেখা একটি বার্তা তারা দেখেছে। সেখানে বলা হয়েছে, আজ সকালে তেহরানের একাধিক স্থানে সমন্বিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে, যার একটি স্থানে ইরানের উচ্চপর্যায়ের নেতারা একত্রিত হয়েছিলেন।

ওই কর্মকর্তা বলেন, ইরান যুদ্ধের প্রস্তুতি নিলেও কমপাউন্ডে হামলার ক্ষেত্রে ইসরায়েল কৌশলগতভাবে প্রতিপক্ষকে বিস্ময়ে বিমূঢ় করে দিতে পেরেছে। হামলার সময় জাতীয় নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা কমপাউন্ডের একটি ভবনে ছিলেন, আর খামেনি কাছের আরেকটি ভবনে অবস্থান করছিলেন।

টার্কি টুডে লিখেছে, খুব অল্প সময়ের মধ্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যা করতে পারা ইরানি নেতৃত্ব সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের গভীর গোয়েন্দা নজদারিরই সাফল্য। একই সঙ্গে এটা ইরানি নেতৃত্বের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা না নেওয়ার বিষয়টিও প্রকাশ্যে এনেছে, যদিও দুই দেশই যুদ্ধের প্রস্তুতির স্পষ্ট সংকেত দিয়েছিল।

৩০ জন জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা নিহত : আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ মোট ৩০ জন ঊর্ধ্বতন ইরানি কর্মকর্তা নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। ইসরায়েলের চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, দেশটির বিমান বাহিনী শনিবার তাদের দীর্ঘদিনের শত্রুর বিরুদ্ধে হামলা শুরুর মাত্র আধ মিনিটের মধ্যে পরিচালিত অভিযানে ওই ৩০ জন নিহত হয়েছে। তাদের এন১২ ওয়েবসাইটের সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, ইসরায়েলি রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বাহিনী জোর দিয়ে বলেছে, আমরা কেবল শুরুতেই আছি এবং আমাদের এখনো কমপক্ষে কয়েকদিনের একটি অভিযান বাকি আছে।

অন্যান্য ইসরায়েলি মিডিয়া যুদ্ধে ইসরায়েলি ও মার্কিন সামরিক বাহিনীর মধ্যে বিস্তৃত পরিকল্পনা এবং কঠোর সহযোগিতার পাশাপাশি গোয়েন্দা তথ্যের সঠিকতা তুলে ধরেছে। তবে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ইয়োভ লিমোর সতর্ক করে বলেছেন, শীঘ্রই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের মধ্যে গ্যাপ বা মতপার্থক্য দেখা দিতে পারে। ইসরায়েলের এই যুদ্ধকে কয়েক দিন বা সপ্তাহ, সম্ভবত আরো দীর্ঘ সময় করার জন্য ধৈর্য এবং সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। কিন্তু এটা স্পষ্ট নয় যে ট্রাম্পের ধৈর্য এবং মাথা ঠান্ডা রাখার ক্ষমতা একই স্তরের রয়েছে কি না।

তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ইরানে চলমান সামরিক অভিযান অত্যন্ত সফলভাবে ও নির্ধারিত সময়ের আগেই এগিয়ে চলছে। ইসরায়েলযুক্তরাষ্ট্রের একটি মাত্র হামলাতেই ইরানের ৪৮ জন নেতা নিহত হয়েছেন। এক আঘাতেই ৪৮ জন নেতা খতম হয়ে গেছেন।

ইরানে স্কুলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৫৩ : ইরানের মিনাবে মেয়েদের একটি স্কুলে শনিবারের হামলার ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫৩ জনে। দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্রের বরাত দিয়ে বিচার বিভাগ অনুমোদিত মিজান নিউজ এজেন্সি এই খবর প্রকাশ করেছে। মিনাবের প্রসিকিউটর এর আগে এই হামলায় ৯৫ জন আহত হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।

হরমোজগান গভর্নর অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এই প্রদেশের মিনাবের শাজারে তাইয়েবা বালিকা বিদ্যালয়ে সকালের শিফটে ১৭০ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। এ কারণে নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ইরানে হামলার তদবির করেন সৌদি যুবরাজ? : ইরানে হামলার পেছনে সৌদি আরবের হাত রয়েছে বলে খবর দিয়েছে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট। মার্কিন সংবাদমাধ্যমটি তাদের এক প্রতিবেদনে বলেছে, সৌদি যুবরাজের চাপেই ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান গত মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে একাধিকবার ফোনে ইরানে হামলার জন্য চাপ দিয়েছিলেন, যদিও প্রকাশ্যে তিনি কূটনীতির পক্ষে ছিলেন।

বিষয়টি নিয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চার কর্মকর্তার বরাতে এ কথা লিখেছে ওয়াশিংটন পোস্ট। অথচ গত জানুয়ারিতেই যুবরাজ বলেছিলেন, তিনি তার দেশের আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ইরানে হামলার জন্য ব্যবহার করতে দেবেন না। তিনি বলেছিলেন, সৌদি আরব ইরানের সার্বভৌমত্বকে সম্মান করবে এবং আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের জন্য ওয়াশিংটন এবং তেহরানকে আহ্বান জানাচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তারা বলছেন, প্রকাশ্যে এমন কথা বলার পরও সৌদি যুবরাজ সম্প্রতি কয়েক সপ্তাহে ট্রাম্পকে ফোন করে ইরানে হামলার জন্য তদবির করেছিলেন। পাশাপাশি ইরানে হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিল ইসরায়েলও।

হামলার আগে বৃহস্পতিবার জেনেভায় ট্রাম্পের দূতরা ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেন। ট্রাম্প বলেন, বিতর্কিত পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ইরানের নেতারা যথেষ্ট আপস করেননি, যদিও হামলার পর তিনি স্পষ্ট করেন যে, লক্ষ্য পারমাণবিক চুক্তি নয়, বরং শাসন পরিবর্তন।

ওমান মধ্যস্থতা করছিল এবং শুক্রবার অগ্রগতির কথা জানিয়েছিল ইরান ইউরেনিয়াম মজুত না করার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। ওমান শনিবার তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানায়। ইরান জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে হামলা বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানায়; পরিষদ শনিবার জরুরি বৈঠক করে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের ভেটো ক্ষমতা রয়েছে।

ইরানের নতুন নেতাদের সঙ্গে কথা বলবেন ট্রাম্প : ইরানের নতুন নেতারা মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করতে চান বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ‘দ্য আটলান্টিক’ ট্রাম্পকে উদ্ধৃত করে লিখেছে, তারা কথা বলতে চায়। আমিও কথা বলতে রাজি হয়েছি। তাদের সঙ্গে কথা বলব আমি। এই আলোচনা তাদের আগেই করা উচিত ছিল বলে মন্তব্য করে ট্রাম্প। তবে ইরানি নেতাদের সঙ্গে সেই আলোচনা কখন, কোথায়ম কিভাবে হবে, সে ব্যাপারে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি, লিখেছে আল জাজিরা।

তেহরানে হামলা বাড়ানোর ঘোষণা নেতানিয়াহুর : ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সামনের দিনগুলোতে তেহরানে বিমান হামলা আরো জোরদারের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এখনো পূর্ণ শক্তি প্রয়োগ করেনি। আল জাজিরা লিখেছে, এক ভিডিওতে নেতানিয়াহু বলেন, আমি অভিযান অব্যাহত রাখার নির্দেশ জারি করেছি। আমাদের বাহিনী এখন প্রচণ্ড শক্তি নিয়ে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে আঘাত করছে। সামনের দিনগুলোতে হামলা কেবল বৃদ্ধিই পাবে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধখামেনি : দরিদ্র পরিবার থেকে যেভাবে ক্ষমতার শীর্ষে
পরবর্তী নিবন্ধমদ খাইয়ে প্রতিবন্ধী কিশোরকে যৌন নিপীড়ন, ২০ হাজার টাকায় ‘সমাধান’