নগরীর বাকলিয়া ও আনোয়ারায় পৃথক অভিযান চালিয়ে প্রায় আড়াই কোটি টাকার ইয়াবাসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ ও র্যাব পৃথক এ অভিযান পরিচালনা করে।
এদিকে নগরীতে মাদকবিরোধী অভিযানে বড় সাফল্য অর্জন করেছে পুলিশ। সিএমপি বাকলিয়া থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ দুইজন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত শনিবার রাত সাড়ে ১০টা থেকে গত রবিবার রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বাকলিয়া থানার একটি চৌকস আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে। প্রথম অভিযানে বাকলিয়া থানাধীন কল্পলোক আবাসিক এলাকার ২ নম্বর রোডের জি–ব্লকস্থ বিসমিল্লাহ স্টোরের সামনে চার রাস্তার মোড় থেকে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এসময় ইয়াবা বহনে ব্যবহৃত একটি টয়োটা গাড়িসহ একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অপরদিকে, একই রাতে নতুন ব্রিজ সংলগ্ন কে আর এস কনভেনশনের সামনে পাকা রাস্তার ওপর পরিচালিত আরেক অভিযানে ৪ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এসময় একটি যাত্রীবাহী হানিফ পরিবহনের বাসসহ আরও একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, উদ্ধারকৃত ৫৪ হাজার পিস ইয়াবার বাজারমূল্য আনুমানিক দেড় কোটি টাকা। বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান জানান, গ্রেপ্তারকৃত দুইজন দীর্ঘদিন ধরে মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুইজনের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা রুজু করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
এদিকে আনোয়ারা প্রতিনিধি জানান, আনোয়ারায় র্যাব অভিযান চালিয়ে ৯৩ লাখ টাকা মূল্যের ৩০ হাজার ৯২৫পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত রবিবার পিএবি সড়কের তৈলারদ্বীপ সরকারহাট এলাকায় র্যাব –৭ অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে এ অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, উখিয়া কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা মাদক কারবারি মো. তৈয়ব আলী (৪৫) ও মহেশখালী উপজেলার বাসিন্দা মোছা. শমসিদা (৩২)। আনোয়ারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, র্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা হয়েছে। অভিযুক্তদের আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।












