আসুন দেশটাকে নতুন করে গড়ে তুলি : তারেক রহমান

দীর্ঘ দেড় যুগ পর অফিস করলেন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে

| মঙ্গলবার , ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫ at ১০:২৫ পূর্বাহ্ণ

দীর্ঘ দেড় যুগ পরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এসেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এসময় তিনি উজ্জীবিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে নতুন করে দেশ গড়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যার যতটুকু অবস্থান আছে, আসুন দেশটাকে নতুন করে গড়ে তোলার চেষ্টা করি। দীর্ঘ ১৯ বছর পর গতকাল সোমবার বিকেলে চিরচেনা দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আসেন তারেক রহমান। এর আগে সর্বশেষ ২০০৬ সালে তিনি দলীয় প্রধান কার্যালয়ে এসেছিলেন।

গতকাল সোমবার বিকেল ৪টা০৫ মিনিটে তাকে বহনকারী গাড়ি কার্যালয়ের সামনে এসে পৌঁছালে সেখানে তখন হাজারো নেতাকর্মীর ভিড় ছিল। তারেক রহমান ওই সময় গাড়ি থেকে নেমে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। দোতলায় গিয়ে সোজা চলে যান বারান্দায়। সেখানে দাঁড়িয়ে হাসিমুখে নেতাকর্মীদের সালাম দিয়ে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান। পরে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ১ মিনিট বক্তব্য রাখেন তারেক রহমান। খবর বাসসের।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, আজ এখানে কোনো অনুষ্ঠান নেই। রাস্তা বন্ধ রাখলে সাধারণ মানুষের চলাফেরায় অসুবিধা হবে। তাই আমরা চেষ্টা করবো রাস্তাটি যত দ্রুত সম্ভব খুলে দেওয়ার জন্য, যেন সাধারণ মানুষ স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারেন। তিনি বলেন, যার পক্ষে যতটুকু সম্ভবআমরা সচেষ্ট হই, কোথাও যদি রাস্তায় এক টুকরো কাগজ পড়ে থাকে, ময়লা হয়ে থাকে তা আমরা সরিয়ে দেব। এভাবে ছোট ছোট কাজের মাধ্যমে আসুন আমরা দেশটাকে গড়ে তুলি।

তারেক রহমান বলেন, ইনশাআল্লাহ, আপনাদের সঙ্গে যখন কর্মসূচি থাকবে, আমি বক্তব্য রাখবো। সবাই আমার জন্য ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া করবেন। ইনশাআল্লাহ আমিও দোয়া করি যে, সবাই সুস্থ ও ভালো থাকুন। আমাদের যার যতটুকু অবস্থান আছে, সেখান থেকে আসুন আমরা আমাদের দেশটাকে নতুন করে গড়ে তোলার চেষ্টা করি। এসময় নেতাকর্মীরা তারেক রহমানকে স্বাগত জানিয়ে স্লোগান দিতে থাকেনতারেক রহমান বীরের বেশে, আসছে ফিরে বাংলাদেশে; তারেক রহমানের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম; তারেক রহমান এসেছে, রাজপথ হাসছে; বাংলাদেশের প্রাণ, তারেক রহমান। এর আগে বেলা ৩টায় তারেক রহমান গুলশান এভিনিউ’র বাসভবন থেকে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হন।

পূর্ববর্তী নিবন্ধপতেঙ্গা সৈকতে প্রবেশ নিষিদ্ধ বন্ধ থাকবে বার ও মদের দোকান
পরবর্তী নিবন্ধ৭৮৬