সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের আমলে রাজধানী দামেস্কের উপকণ্ঠে একটি সামরিক বিমানবন্দরের বন্দিশালায় নির্যাতন, নিপীড়নের শিকার হয়ে কিংবা মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে ১ হাজারেরও বেশি সিরীয়র মৃত্যু হয়েছে। খবর বিডিনিউজের।
কবরস্থান সন্দেহে ৭ টি স্থানে মৃতেদেহ খুঁজে তৈরি করা একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে একথা। প্রতিবেদনটি বৃহস্পতিবার প্রকাশ হওয়ার কথা রয়েছে। রয়টার্সের সঙ্গে একান্তে শেয়ার করা এই প্রতিবেদনে দ্য সিরিয়া জাস্টিস অ্যান্ড অ্যাকাউন্টেবিলিটি সেন্টার বলেছে, বাশার আল আসাদের পতনের পর তারা প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য, স্যাটেলাইট ছবি এবং সামরিক বিমানবন্দরের নথিপত্রের ছবির মাধ্যমে সমাধিস্থলগুলো চিহ্নিত করেছে। বিমানবন্দরের মাটিতে কিছু সমাধি ছিল। অন্যান্য সমাধিগুলো ছিল দামেস্কজুড়ে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স ওই নথিগুলো খতিয়ে দেখেনি এবং স্যাটেলাইট ছবির নিজস্ব পর্যালোচনা থেকে গণকবরের অস্তিত্ব নিরপেক্ষভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি। তবে, রয়টার্সের সাংবাদিকরা এসজেএসি–র চিহ্নিত বেশ কয়েকটি স্থানের ছবিতে কিছু চিহ্ন দেখতে পেয়েছেন। মেজ্জেহ বিমানবন্দর এবং নাঝার কবরস্থানে গভীর গর্ত খননের প্রমাণ পাওয়া গেছে, যা এসজেএসি–র প্রতিবেদন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের সঙ্গে মিলে যায়। প্রতিবেদন লেখকদের একজন শাদি হারুন জানান, তিনিও একসময় বন্দি ছিলেন। ২০১১–১২ সালে সিরিয়ায় বিক্ষোভে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে কয়েক মাস আটক রাখা হয়। তিনি বলেন, তাকে স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য করতে প্রতিদিন শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হত।