জাতীয় নির্বাচনের আগে তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক বিরোধ নিরসন ও সংগঠনকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে জেলা সফরে চট্টগ্রাম আসছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক টিম। আগামী ১৪ মে কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে প্রথমে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ তৃণমূলের প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর উত্তর জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের তৃণমূলের প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগেও কেন্দ্রীয় নেতারা চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলায় তৃণমূলের প্রতিনিধি সভার তারিখ ঘোষণা করেছিলেন। পরবর্তীতে তা স্থগিত করা হয়েছে। ঈদের পর আবার সংগঠনকে চাঙা করার লক্ষ্যে তৃণমূলের প্রতিনিধি সভা করতে যাচ্ছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। নগরীর জিইসি কনভেনশন সেন্টারে দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের তৃণমূলের এ প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে চট্টগ্রাম বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক মন্ত্রী শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ এমপি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক ওয়াসিকা আয়শা খান এমপি, দপ্তর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, উপ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন প্রমুখ।
এই ব্যাপারে দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান আজাদীকে জানান, জিইসি কনভেনশন সেন্টারে সকাল ৯টা থেকে শুরু হবে তৃণমূলের প্রতিনিধি সভা। এই প্রতিনিধি সভায় তৃণমূলের প্রায় ৩ হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত থাকবেন। সভায় জেলা আওয়ামী লীগের কার্যকারী কমিটি, উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যকারী, পৌরসভা, ইউনিট, ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকগণ, আওয়ামী লীগের প্রতিটি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ২০জন করে প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন সভায়। এ ছাড়াও নৌকা প্রতীকে নির্বাচিত আওয়ামী লীগের জনপ্রতিনিধিগণ (উপজেলা চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র, ইউপি চেয়ারম্যান) উপস্থিত থাকবেন।
নিয়ম অনুযায়ী তৃণমূলের প্রতিনিধি সভায় ওয়ার্ড থেকে শুরু করে, ইউনিয়ন, পৌরসভা এবং উপজেলার নেতারা কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে সংগঠনের নানা সুবিধা-অসুবিধার কথা বলতে পারেন। কেন্দ্রীয় নেতারা সংগঠনের মাঠ পর্যায়ের কি অবস্থা তা তৃণমূলের প্রতিনিধিদের বক্তব্যে বুঝতে পারেন। দক্ষিণ জেলার মধ্যে বাঁশখালী এবং বোয়ালখালীর সাংগঠনিক অবস্থা খুবই নাজুক। বাঁশখালী উপজেলায় গত ২৩-২৪ বছর ধরে সম্মেলন হচ্ছে না। দুই-তিনজন ছাড়া কমিটিরও কেউ নেই। একই অবস্থা বোয়ালখালী উপজেলায়ও। এই উপজেলায় প্রায় গত ২০-২২ বছর ধরে কোনো সম্মেলন হয়নি। এসব বিষয় প্রতিনিধি সভায় উঠতে পারে বলে উপজেলা পর্যায়ের তৃণমূলের বেশ কয়েকজন নেতা জানিয়েছেন।









