মোস্তাফিজুর রহমানের এবারের আইপিএলে খেলার কথা ছিল কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে। তবে শেষ পর্যন্ত আইপিএল থেকে ছিটকে গেলেন তিনি। গতকাল শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে বাদ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে কেকেআর ফ্র্যাঞ্চাইজি। মোস্তাফিজের বাদ পড়ার খবরে ভারতীয় সাংবাদিকরা যোগাযোগ করেছেন মোহাম্মদ আশরাফুলের কাছে প্রতিক্রিয়া জানতে। এ নিয়ে আশরাফুল বলেন, ‘ভারতীয় সাংবাদিকরা জানতে চেয়েছেন যে আসলে সংবাদটা শুনে আমার কেমন লাগছে আর, কতটা বিস্মিত হয়েছি।’ ‘অবশ্যই আমার মনে হয় যে ক্রিকেটের সাথে রাজনীতি একদমই মিলানো উচিত না। সেই বিষয়টাই আসলে বলেছি যে আমি পুরোপুরি স্তব্ধ। কারণ মোস্তাফিজ এই প্রথম যে সেই প্রাপ্যটা পাওয়া উচিত আইপিএল থেকে সেই প্রাপ্যটাই এই প্রথম তাকে কলকাতা বিড করেছিল। খেলতে পারবে না এটা শুনে অবশ্যই আমারও খারাপ লাগছে, আমাদের ১৮ কোটি মানুষেরই আসলে খারাপ লাগার বিষয় আমি মনে করি। বিষয়টা আসলে এই জায়গায় যাওয়া উচিত না। ক্রিকেটের সাথে শুধু ক্রিকেটই থাকা উচিত।’ মোস্তাফিজ না থাকায় আইপিএলের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের দূরত্ব থাকবে বলে মনে করেন আশরাফুল, ‘তো একটা ফ্যানবেজ কিন্তু ছিল আইপিএল এবং কলকাতা নাইট রাইডার্সের। তো সেই জায়গাটা তো অবশ্যই এই ধরনের ঘটনা হলে তো অবশ্যই বাংলাদেশের মানুষ হয়ত বয়কট করতেও পারে।’ মোস্তাফিজকে নিয়ে ভারতীয় সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার ও নোয়াখালী এক্সপ্রেসের কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন। সুজন বলেন, ‘সরকার থেকে মোস্তাফিজ ইস্যুতে কথা বলা যেতে পারে। বিসিবির কিছুই করার নেই। এটা তো সরকারিভাবেই হয়েছে। যদিও বিসিসিআই থেকে হয়তবা ঘোষণাটা এসেছে। কিন্তু দেশ যদি নিরাপত্তা না দিতে পারে বিসিসিআই কীভাবে নিরাপত্তা দেবে? সেক্ষেত্রে আমার মনে হয় বিসিবির চেয়ে সরকারেরই কথা বলা উচিত।’ ‘বাংলাদেশ দল যে বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছে সেখানে তাদের আসলে কী দায়িত্ব…নিশ্চয়তা আছে কিনা, তাদের কী নিরাপত্তা দিতে পারবে তারা? এই ধরনের যদি বিশৃঙ্খল ঘটনা ঘটে যায় সেক্ষেত্রে ক্ষতিটা তো আমাদের দেশেরই হবে। এটাতে অবশ্যই বিসিবি হোক এবং দেশের সরকারেরও আমার মনে হয় আইসিসিকে একটা চিঠি দেয়া উচিত।’ সুজন মনে করেন, বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে নেয়া গেলে ভালো সমাধান হতে পারে, ‘আমার মনে হয় আমাদের সবগুলো ম্যাচ যদি অন্য ভেন্যুতে করা যায় ভারত ছেড়ে (বাইরে) সেক্ষেত্রে হয়তবা সেটা একটা ভালো সমাধান হতে পারে।’












