আওয়ামী লীগের কোনো ফাঁদে জনগণ আর পা দেবে না উল্লেখ করে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, এই সরকারকে গণ–আন্দোলনের মাধ্যমে পরাজিত করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি জনগণের ক্ষমতা জনগণকে ফিরিয়ে দিতে বদ্ধ পরিকর।
তিনি বলেন, ভোট চুরি করে প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ আবারো ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার নীল নকশা করেছে। কিন্তু আমরা এটা বাস্তবায়ন করতে দেব না। এই সরকারের অধীনে কোনো পাতানো নির্বাচন আমরা বাংলাদেশে হতে দেব না।
গতকাল বুধবার বিকেলে মুক্তিযোদ্ধা দল কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে নাসিমন ভবনস্থ নগর বিএনপি অফিসের সামনের মাঠে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বীর
মুক্তিযোদ্ধা ইশতিয়াক আজিজ উলফাতের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক আহমেদ খাঁনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন নগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দীন, মহানগর বিএনপির সদস্য
সচিব আবুল হাশেম বক্কর, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান, বীর মুক্তিযোদ্ধা একরামুল করিম, বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য সাথী উদয় কুমার বড়ুয়া, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শাহাবুদ্দিন আহমদ, সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি। অনুষ্ঠানে ১০০ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে ক্রেস্ট ও সনদপত্র দিয়ে সংবর্ধিত করা হয়েছে।
নোমান আরো বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার ভোট চোর ও দুর্নীতিবাজ সরকার হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে। সদ্য প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার রিপোর্টে এ সরকারের ভোট চুরি, মানবাধিকার লঙ্ঘন, বিরোধীদলের সভা সমাবেশের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ, দুর্নীতি ও লুটপাটের
বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশিত হয়েছে। তিনি বলেন, শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয় জাতিসংঘসহ বিশ্বে বিভিন্ন দেশের সরকার ও মানবাধিকার সংগঠন আওয়ামী লীগ সরকারের ভোট চুরি, দমন–পীড়ন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় ইতিমধ্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। নোমান বলেন, সরকার উন্নয়নের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা
বিদেশে পাচার করেছে। রিজার্ভ সংকটের কারণে সরকার আইএমএফ থেকে ঋণ গ্রহণের শর্ত হিসেবে বিদ্যুৎসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বাড়িয়ে দিয়েছে। সরকারের দুর্নীতি ও লুটপাটের খেসারত দিতে হচ্ছে জনগণকে। সরকার দুর্নীতির মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করার জন্য যে সমস্ত
লোক দেখানো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে তা জনগণের জন্য একসময় বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়াবে।
সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এডভোকেট আবদুস সাত্তার, এস কে খোদা তোতন, নাজিমুর রহমান, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আবদুল মান্নান, আহমেদুল আলম রাসেল, মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশারফ হোসেন দীপ্তি, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সাহেদ, নগর ছাত্রদলের
সাবেক সভাপতি গাজী সিরাজ, বিএনপি নেতা মোশারফ হোসেন দীপ্তি, মঞ্জুর রহমান চৌধুরী, জসীম উদ্দিন জিয়া, মহানগর ছাত্রদলের সদস্যসচিব শরীফুল ইসলাম তুহিন।












