চট্টগ্রাম নগরীর নিউ মার্কেট এলাকার ট্রাফিক পুলিশ বক্স সংলগ্ন রেল স্টেশনের বাউন্ডারির ভিতর জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় শহীদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি মো. আহসান হাবীব পলাশ, সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী, উপ–পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) হোসাইন মোহাম্মদ কবীর ভূঁইয়া (অতিরিক্ত ডিআইজি), জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁন ও সিএমপির ট্রাফিক দক্ষিণ বিভাগের উপ–পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ লিয়াকত আলী খান। জুলাই অভ্যুত্থানে চট্টগ্রামে শহীদ পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, পুলিশ বিভাগসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মর্কতা–কর্মচারীরা দোয়া মাহফিলে অংশ নেন।
এ সময় জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, ২০২৪’র জুলাই অভ্যুত্থানে চট্টগ্রামে ৯ জন শহীদ হয়েছেন, আহত হয়েছেন অনেকে। তাদের অবদান আমরা কখনো ভুলতে পারবো না। নির্বাচনের এ সময়ে কোন স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনের প্রোগ্রাম আমাদের নেই। এরপরও আমরা শুধুমাত্র জুলাই অভ্যুত্থানে বীর শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং তারা যাতে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ দেখতে পায় সে লক্ষ্যে রেল স্টেশনের বাউন্ডারির ভিতরেই জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন উপলক্ষে শহীদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছি। আমরা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।
তিনি বলেন, জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ আমাদের স্মৃতি। এটির রক্ষণাবেক্ষণ ও সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা আমাদের সকলের পবিত্র দায়িত্ব ও কর্তব্য। সে দিন যারা শহীদ হয়েছে, নতুন বাংলাদেশ দিয়েছে, তাদের স্মৃতি যে কোনভাবে আমরা ধরে রাখবো। আমাদের শহীদ পরিবারের সন্তানেরা সেদিন যে উদ্দেশ্যে শহীদ হয়েছিল সে উদ্দেশ্যে আমরা বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করব।












