আনোয়ারায় সাগরপথে আনা মহিষ নিয়ে রহস্য

আনোয়ারা প্রতিনিধি | বুধবার , ১ জুলাই, ২০২৬ at ৫:৪২ পূর্বাহ্ণ

আনোয়ারা উপজেলার উপকূলীয় রায়পুর ইউনিয়নে সাগরপথে পাঁচটি মহিষ আনার অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদেশি মদ ও ইয়াবার চালানের পাশাপাশি এবার মহিষও সাগরপথে আনার সঙ্গে একটি চোরাই সিন্ডিকেট জড়িত থাকতে পারে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রোববার মধ্যরাতে রায়পুর ইউনিয়নের উঠান মাঝির ঘাটে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে পাঁচটি মহিষ আনা হয়। পরে চারটি মহিষ অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হলেও একটি মহিষ নিতে পারেনি ওই চক্র। সোমবার ভোরে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। পরে মহিষটি স্থানীয় গ্রাম পুলিশের জিম্মায় রাখা হয়।

তবে অভিযোগ উঠেছে, থানা পুলিশের জিম্মায় না নিয়ে পরে পারকি এলাকার এক ব্যক্তি নিজেকে মহিষটির মালিক দাবি করলে মহিষটি তার কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর একটি বিশেষ মহলের সহায়তায় বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা হাবিব বলেন, সাগরপথে ইয়াবা ও বিদেশি মদের পাশাপাশি এখন স্থানীয় একটি চক্র মহিষও নিয়ে আসছে। গত রোববার মধ্যরাতে উঠান মাঝির ঘাটে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় পাঁচটি মহিষ আনা হয়। চারটি মহিষ সরিয়ে নিতে পারলেও একটি মহিষ নিতে পারেনি তারা। পরে মহিষটি গ্রাম চৌকিদার আব্দুল মান্নানের জিম্মায় ছিল। কিন্তু শুনেছি বিকেলে পারকি এলাকার এক ব্যক্তি মালিক দাবি করে মহিষটি নিয়ে গেছে। আমাদের প্রশ্ন, সাগরপথে আনা মহিষের মালিক পারকি এলাকার হয় কীভাবে? আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি।

এ বিষয়ে স্থানীয় চৌকিদার আব্দুল মান্নান বলেন, উঠান মাঝির ঘাটে একটি মহিষ স্থানীয়রা আমার জিম্মায় দেয়। পরে থানা পুলিশের নির্দেশে মহিষটি মালিকের কাছে দিয়ে দিই। তবে মহিষটি কোথা থেকে এসেছে, তা আমি জানি না।

আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুনায়েদ চৌধুরী বলেন, সাগরপথে পাঁচটি মহিষ আনার বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো তথ্য নেই। তবে একটি মহিষ পাওয়ার বিষয়টি শুনেছি। পরে মহিষটি মালিক নিয়ে গেছে বলে জেনেছি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধনীতি সুদহার বহাল রেখে সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি
পরবর্তী নিবন্ধঅনলাইন বেটিংয়ে ৭ বছর জেল, ৫ কোটি টাকা জরিমানা