চট্টগ্রাম আদালত চত্বরে এক আইনজীবীর মারধরে রক্তাক্ত হয়েছেন এক নারী। ওই নারী সন্দ্বীপের বাসিন্দা জানা গেলেও নাম–পরিচয় জানা যায়নি। আর অভিযুক্ত আইনজীবীর নাম মোহাম্মদ আতাউর রহমান। গতকাল দুপুরে চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল–৩ এর সামনে এ ঘটনা ঘটে। তখন বিষয়টি ট্রাইব্যুনালের বিচারকের নজরে পড়লে তিনি জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতিকে ডেকে বিষয়টি দেখতে বলেন। একপর্যায়ে সভাপতি ঘটনাস্থলে গিয়ে ভিকটিম ওই নারীকে সমিতির অফিসে নিয়ে যান এবং প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করে মধ্যস্থতা করে দেন।
প্রত্যক্ষ্যদর্শীরা জানিয়েছেন, ট্রাইব্যুনালের সামনে অভিযুক্ত আইনজীবী ও ভিকটিম নারীর মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে ভিকটিম নারী অভিযুক্ত আইনজীবীর শার্টের কলার, গাউন ধরে টানাটানি করেন। অন্যদিকে ওই নারীকে কনুই দিয়ে ঘাই মারলে তিনি নিচে পড়ে যান এবং আঘাতপ্রাপ্ত হন। একপর্যায়ে সমিতির নেতারা এসে তাকে সমিতির অফিসে নিয়ে যান। সেখানে বিষয়টি মিটমাট হয়। ট্রাইব্যুনালের পিপি জিকু বড়ুয়া আজাদীকে বলেন, ওই নারীর পরিচয় জানা যায়নি। শুনেছি তিনি আইনজীবী আতাউর রহমানের মক্কেল। হইচই শুনে আমরা বের হলে দেখি ওই নারী মাটিতে গড়াগড়ি খাচ্ছেন। তাকে মারধর করা হয়েছে। নাক দিয়ে রক্ত পড়ছিল। পরে আমাদের স্যার (বিচারক) বিষয়টি সমিতির সভাপতিকে দেখতে বলেন। এরই ধারাবাহিকতায় সমিতির সভাপতি বিষয়টি মিটমাট করে দিয়েছেন। সমিতির সভাপতি মো. নাজিম উদ্দিন চৌধুরী আজাদীকে বলেন, আইনজীবী আতাউর রহমান তার একজন মক্কেলের পক্ষে মামলা করতে গিয়েছিলেন।
তখন ভিকটিম নারী তার দিকে এগিয়ে যান এবং তার শার্টের কলার ও গাউন নিয়ে টানাটানি করেন। একপর্যায়ে আইনজীবীর সাথে ওই নারীর হাতাহাতি হয়। এতে ওই নারী আঘাতপ্রাপ্ত হন। তার নাকে জখম হয়। সমিতির অফিসে ওই নারীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বিষয়টি মিটমাট করে দেওয়া হয়েছে। বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে অভিযুক্ত আইনজীবী মোহাম্মদ আতাউর রহমান আজাদীকে বলেন, আমি কাউকে মারিনি। এক টাউটকে শনাক্ত করে সমিতির কাছে সোপর্দ করেছি।












