আদালতে হাজিরা দিতে যাওয়ার সময় নগরীর বলুয়ার দিঘির পাড় এলাকায় মিনহাজ উদ্দিন নামে এক যুবদলকর্মীর উপর প্রতিপক্ষের লোকজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে। এতে তার হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুরে নগরের বলুয়ার দিঘির পাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত যুবদলকর্মী মিনহাজ নগরের বাকলিয়া থানার মাস্টারপুল এলাকার মৃত মিজানের ছেলে।
কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আফতাব উদ্দিন আজাদীকে জানান, এই ঘটনায় থানায় মামলা হচ্ছে। উনারা এসেছেন। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
এদিকে যুবদলকর্মী মিনহাজ উদ্দিনের উপর প্রতিপক্ষের অতর্কিত হামলার খবর ছড়িয়ে পড়লে দুপুর দেড়টার দিকে দক্ষিণ বাকলিয়ার বউবাজার এলাকায় মিনহাজের অনুসারীরা পাল্টা হামলা চালায়। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় মিনহাজের অনুসারীরা আরমান প্রকাশ এঞ্জেলের উপর হামলা চালায় এবং তার বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। এ সময় তিনি একটি বাসায় আশ্রয় নিয়ে প্রাণে রক্ষা পান বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। পাল্টা হামলায় আরো একজন আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকাল ১০টার দিকে আদালতে হাজিরা দিতে যাওয়ার সময় বলুয়ার দিঘির পাড় এলাকায় মিনহাজের উপর অতর্কিত হামলা চালায় প্রতিপক্ষের লোকজন। ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার হাতের একটি কবজি শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়। স্থানীয়রা জানান, মিনহাজ স্থানীয় একটি গ্রুপের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। অপরদিকে পাল্টা হামলায় আহত আরমান প্রকাশ এঞ্জেল একই থানার বউবাজার এলাকার মৃত রফিকের ছেলে।
বাকলিয়া থানা পুলিশ জানায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে একজনের হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন করা হয়। পরে পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। উভয় ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ৫ এপ্রিল বাকলিয়া থানার মিয়া খান নগর এলাকায় দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় সিএনজি টেক্সি চালক, পথচারী, মিল শ্রমিকসহ ৪ জন গুলিবিদ্ধ ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। একটি শটগানসহ গুলি উদ্ধার হয়েছে।













