মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ঘিরে সংকট মোকাবিলায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে দেশের সব পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সোমবার থেকেই শুরু হচ্ছে ঈদের ছুটি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ আজ সোমবার থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বন্ধ ঘোষণা করতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে (ইউজিসি) চিঠি দিয়েছে। সেইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে জ্বালানি সাশ্রয়ে ১১ দফা নির্দেশনা মানতে বলা হয়েছে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে। খবর বিডিনিউজের।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজস্ব অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার মেনে পরিচালিত হয়। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে রোববার থেকেই ঈদের ছুটি শুরু হয়েছে। অপরদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫ মার্চ থেকে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০ মার্চ থেকে ঈদুল ফিতরের ছুটি শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু জ্বালানি সাশ্রয়ে আগেভাগেই এ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ ঘোষণার সিদ্ধান্ত এল। রোববার ইউজিসির চেয়ারম্যানকে পাঠানো এক নির্দেশনায় সোমবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বন্ধ ঘোষণা করতে বলা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী যেদিন পর্যন্ত ঈদের ছুটি চলার কথা, সেদিন পর্যন্ত ওই প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকবে।
১১ দফা নির্দেশনা : > দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহার পরিহার করতে হবে এবং জানালা ও দরজা কিংবা ব্লাইন্ড খোলা রেখে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করতে হবে।
> ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক আলোর অর্ধেক ব্যবহার করতে হবে। প্রয়োজনের অতিরিক্ত লাইটের ব্যবহার পরিহার করতে হবে। > অফিস চলাকালে প্রয়োজনের অতিরিক্ত লাইট, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখতে হবে। > এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার উপরে রাখতে হবে। > অফিস কক্ষ ত্যাগ করার সময় কক্ষের বাতি, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ সকল বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ করতে হবে। > অফিসের করিডোর, সিঁড়ি, ওয়াশরুম ইত্যাদি স্থানে অপ্রয়োজনীয় বাতি ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। > বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হবে। > অফিস সময় শেষ হওয়ার পর সব বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি (লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার, এয়ার কন্ডিশনার ইত্যাদি) বন্ধ নিশ্চিত করতে হবে। > যাবতীয় আলোকসজ্জা পরিহার করতে হবে। > গাড়ির ব্যবহার সীমিত করতে হবে। > জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে।











