রমজানকে ঘিরে নগরীর আগ্রাবাদের বাসমতি রেস্টুরেন্টে শুরু হয়েছে জমজমাট ইফতার আয়োজন। ৬৪ ধরনের ইফতার আইটেমের পাশাপাশি রাখা হয়েছে তিন ধরনের স্পেশাল ডালা সার্ভিস। একইসঙ্গে ডিনার ও সেহেরির ব্যবস্থাও থাকায় প্রতিদিনই সেখানে ভিড় করছেন খাদ্যপ্রেমীরা। গ্রাহকদের সুবিধার্থে তিন ধরনের স্পেশাল ডালা সার্ভিসের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। পাশাপাশি ডিনার ও সেহেরির সুবিধা থাকায় দিনভরই ব্যস্ততা দেখা যাচ্ছে রেস্টুরেন্টটিতে। বাসমতিতে দেশি–বিদেশি নানা স্বাদের খাবারের সমাহার রয়েছে। থাই, চাইনিজ, ইন্দোনেশিয়ান, কন্টিনেন্টাল, ইন্ডিয়ান, আরবিয়ান এবং ঐতিহ্যবাহী বাংলা খাবারের পাশাপাশি ইফতারের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে বিভিন্ন মুখরোচক পদ।
ইফতার বাজারের মেন্যুতে রয়েছে নানা ধরনের খাবার। জিলাপি প্রতি কেজি ৪০০ টাকা, বিফ হালিম ও মাটন হালিম প্রতি কেজি ৮০০ টাকা। ভেজিটেবল ডিম রোল প্রতি পিস ৪৫ টাকা, ফিশ বল প্রতি পিস ৫০ টাকা, বিফ তেহারি প্রতি বক্স ৩০০ টাকা, বাসমতি স্পেশাল জিলাপি (১ কেজি) ৫০০ টাকা, ফিশ ফিঙ্গার প্রতি পিস ৬০ টাকা, ফ্রাইড রাইস প্রতি বক্স ২১০ টাকা এবং মাটন–বিফ দম বিরিয়ানি প্রতি বক্স ৩৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া খাসির লেগ রোস্ট ১৩৫০ টাকা, বিফ মেজবানি প্রতি কেজি ১০০০ টাকা, বিফ চুইঝাল ১৯০ টাকা, ছোলা ভুনা প্রতি ১০০ গ্রাম ৮০ টাকা, পেঁয়াজু ও বেগুনি প্রতি পিস ১০ টাকা, চিকেন কিমা চপ ৮০ টাকা, খাসির কলিজা সিঙ্গারা ৪০ টাকা এবং লাগিস কাবাব ৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।
অন্যান্য আইটেমের মধ্যে রয়েছে ভেজিটেবল পাকোড়া প্রতি ৫০ গ্রাম ৫০ টাকা, চিকেন জালি কাবাব প্রতি পিস ৬০ টাকা, চিকেন সমুচা ২৫ টাকা, বারবিকিউ চিকেন (১:৪) ১৬০ টাকা, চিকেন হেভেন ৫০ টাকা, চিকেন বল ৫০ টাকা এবং চিকেন চিজ স্যান্ডউইচ ৫০ টাকা।
ফাস্টফুড আইটেমের মধ্যে ফ্রাইড চিকেন প্রতি পিস ৭৫ টাকা, গোল্ডেন ফ্রাইড চিকেন ৭০ টাকা, প্রন সাটে প্রতি স্টিক ১২০ টাকা, ফ্রাইড ওয়ানটন ৩৫ টাকা, স্প্রিং রোল ৮০ টাকা এবং চিকেন অন টোস্ট ৮০ টাকা রয়েছে। তান্দুরি চিকেন (১:৪) ও টেংরি কাবাব (১:৪) প্রতিটি ১০০ টাকা, চিকেন চাপ ১৬০ টাকা, চিকেন শর্মা ১৩০ টাকা, হোল চিকেন ফ্রাই ৬২০ টাকা, বাটুরা ৩০ টাকা, পাউ ভাজি ৬০ টাকা এবং বিফ বটি কাবাব প্রতি স্টিক ২০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।
মিষ্টান্ন ও পানীয়তেও রয়েছে বৈচিত্র্য। দই বড়া (২ পিস) ১৪০ টাকা, পাটিসাপ্টা পিঠা প্রতি পিস ৬০ টাকা, ফিরনি প্রতি কাপ ৬০ টাকা ও ৫০০ গ্রাম ২০০ টাকা, পুডিং প্রতি কাপ ৬০ টাকা, পুডিং বঙ মাঝারি ও বড় যথাক্রমে ১০০ ও ২৮০ টাকা এবং স্পেশাল জর্দা প্রতি কাপ ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বাদাম শরবত ২৫০ ও ৫০০ গ্রাম যথাক্রমে ১০০ ও ২০০ টাকা এবং বোরহানি ২৫০ ও ৫০০ গ্রাম যথাক্রমে ৯০ ও ১৮০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।
বাসমতির ইফতার আইটেমগুলোর মধ্যে গ্রাহকদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে বিফ ও মাটন হালিম, স্পেশাল হালিম, বারবিকিউ চিকেন, বিফ মেজবানি, বাটুরা এবং প্লেইন পরোটা।
বাসমতি কর্তৃপক্ষ জানায়, গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী ডাইন–ইন ও টেকওয়ে–দুই ধরনের সুবিধাই রাখা হয়েছে। কেউ কর্পোরেট প্রোগ্রাম করতে চাইলে তাদের জন্য বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থাও রয়েছে।
রেস্টুরেন্টটির জেনারেল ম্যানেজার দিলিপ এস রোজারিও বলেন, আমাদের খাবারের মান অন্যান্য রেস্টুরেন্টের তুলনায় আলাদা। প্রতিদিনের খাবার প্রতিদিনই প্রস্তুত করা হয়। আমাদের মূল্যও তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী। স্বল্প আয়ের মানুষ থেকে শুরু করে উচ্চ আয়ের মানুষ–সবাই এখানে খেতে পারবেন। গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী খাবার কাস্টমাইজ করে দেওয়া হয়। আর আমাদের রেস্টুরেন্টের পরিবেশও আরামদায়ক, তাই অনেকের কাছেই এটি পছন্দের রেস্টুরেন্ট।











