বাংলাদেশের দ্বিতীয় নারী ক্রিকেটার হিসেবে ‘আইসিসি প্লেয়ার অব দা মান্থ’ স্বীকৃতি পেয়েছেন সোবহানা মোস্তারি। উইমেন’স টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাই পর্ব রাঙিয়ে দারুণ এই স্বীকৃতি পেলেন তিনি। পুরস্কারটি জিতে সতীর্থ নাহিদা আক্তারের পাশে বসেছেন এই মিডল অর্ডার ব্যাটার। নাহিদা বাংলাদেশের হয়ে প্রথম এই স্বীকৃতি পেয়েছিলেন। জানুয়ারি মাসের সেরা পুরুষ ও নারী ক্রিকেটারের নাম গতকাল শনিবার প্রকাশ করে আইসিসি। গত মাসের সেরা পুরুষ ক্রিকেটারের পুরস্কারটি উঠেছে নিউজিল্যান্ড অলরাউন্ডার ড্যারিল মিচেলের হাতে। মাস সেরার লড়াইয়ে সোবহানা হারিয়েছেন আয়ারল্যান্ডের গ্যাবি লুইস ও যুক্তরাষ্ট্রের টারা নরিসকে। আর মিচেল পেছনে ফেলেছেন ইংল্যান্ডের জো রুট ও ভারতের সুরিয়াকুমার ইয়াদাভকে। মেয়েদের ক্রিকেটে মাস সেরার স্বীকৃতি পাওয়া বাংলাদেশের দ্বিতীয় ক্রিকেটার সোবহানা। এর ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসের সেরা হয়েছিলেন বাঁহাতি স্পিনার নাহিদা। গত মাসে নেপালে অনুষ্ঠিত বাছাই পর্বে ব্যাট হাতে চমৎকার পারফরম্যান্স সোবহানাকে এনে দিয়েছে এই সম্মাননা। ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পর্বে বাংলাদেশকে তোলার পথে বড় অবদান রাখেন তিনি। বাছাই পর্বে গত মাসে খেলা ছয় ম্যাচে ৪৫.৮০ গড় ও ১৪৫.৮৫ স্ট্রাইক রেটে ২২৯ রান করেন তিনি। বাছাইয়ে সর্বোচ্চ ইনিংস খেলেন সোবহানা থাইল্যান্ডের বিপক্ষে, একটি ছক্কা ও নয়টি চারে করেন ৪২ বলে ৫৯ রান। পরের ম্যাচেই স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ৪৭ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। বাকি চার ম্যাচের তিনটিতেই ত্রিশোর্ধ ইনিংস খেলেন মিডল অর্ডার ব্যাটার। সঙ্গে অফ স্পিনে একটি উইকেটও নেন তিনি। সোবহানার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের টুর্নামেন্টে অপরাজিত থেকে বিশ্বকাপের মূল পর্বের টিকেট নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। আর মিচেল মাস সেরার পুরস্কার জিতলেন ভারতের মাটিতে সাদা বলের ক্রিকেটে ব্যাট হাতে দ্যুতি ছড়িয়ে। এশিয়ার দেশটিতে নিউ জিল্যান্ডের প্রথমবার ওয়ানডে সিরিজ জয়ে বড় অবদান রাখেন তিনি। ১৭৬ গড়ে ৩৫২ রান আসে তার ব্যাট থেকে। ২–১ ব্যবধানে জেতা তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের শেষ দুটিতে সেঞ্চুরি উপহার দেন মিচেল। সিরিজ সেরার পুরস্কার জেতার পাশাপাশি ওয়ানডে ব্যাটসম্যানদের র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষেও ওঠেন তিনি ওই পারফরম্যান্সে। এছাড়া ভারতের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি–টোয়েন্টি সিরিজে ১২৫ রান করেন মিচেল ১৮৬.৫৬ স্ট্রাইক রেটে।











