চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক নেত্রী অ্যাডভোকেট জুবাঈদা ছরওয়ার চৌধুরী নিপা বলেন, আগে আইন যেটা ছিল, সেটা যথেষ্ট ছিল। কিন্তু আইনটির প্রয়োগ যথাযথ ছিল না। এখানে দরকার ছিল আইন সংশোধন না করে আইনের প্রয়োগ যাতে সঠিকভাবে করা যায়। সেটার উদ্যোগ নেয়। বিশেষ করে, ধর্ষণ মামলাগুলো দ্রুত বিচার ট্রাইবুন্যালে এনে দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিতে হবে। জুবাঈদা ছরওয়ার চৌধুরী নিপা বলেন, যারা অপরাধী, যাদের মনের মধ্যে অপরাধের
প্রবণতা রয়েছে, তারা যেকোনোভাবেই অপরাধ করে যাচ্ছে। তারা আইনের দিকে তাকিয়ে নিজেকে অপরাধ থেকে বিরত রাখেন না বলে জানান এই নারী আইনজীবী।
এই আইনের মাধ্যমে মূলত ভিকটিম প্রতিকার চান। কিন্তু ধর্ষণের মামলাগুলোর দীর্ঘসূত্রিতার কারণে আসামিরা ভিকটিম ও সাক্ষীর ওপর চাপ সৃষ্টি করার একটা সুযোগ পেয়ে থাকছে। এই ধরনের মামলায় একটি পর্যায়ে গিয়ে দেখা যায়, আসামিরা আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। সাক্ষী পাওয়া যায় না।
এ সময় তিনি একটি স্বচ্ছ বিচারপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই অপরাধে বিচারের পক্ষে মত দিয়েছেন। এছাড়া সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার বিষয়টি খুবই জরুরি বলে মনে করেছেন অ্যাডভোকেট নিপা। তিনি বলেন, ধর্ষণের বিরুদ্ধে যদি সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা না যায় তাহলে এই ধরনের ঘটনাগুলো ঘটতেই থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। এর আগে গতকাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার ভার্চুয়াল বৈঠকে ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন’ সংশোধন করে অধ্যাদেশ আকারে জারির জন্য এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।












