আইনে থাকলে মৃত্যুদণ্ডই দিতেন বিচারক

| বুধবার , ২০ মার্চ, ২০২৪ at ৪:৩৪ পূর্বাহ্ণ

হলমার্ক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. তানভীর মাহমুদ, তার স্ত্রী জেসমিন ইসলামসহ তাদের সঙ্গীদের অপরাধের যে মাত্রা, তাতে তাদের মৃত্যুদণ্ডই হওয়া উচিত ছিল বলে মনে করেন বিচারক। কিন্তু সংশ্লিষ্ট আইনের সীমাবদ্ধতায় তাদের সর্বোচ্চ সাজা হিসেবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়ার কথা জানিয়েছেন ঢাকার প্রথম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আবুল কাশেম। খবর বিডিনিউজের।

গতকাল তিনি আলোচিত এ মামলার রায়ে তানভীর, জেসমিনসহ ৯ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। এছাড়া আট আসামিকে দিয়েছেন বিভিন্ন মেয়াদে সাজা। ২৮৪ পৃষ্ঠার রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারক বলেন, মামলাটির ঘটনা ব্যাংকিং ইতিহাসে এক বিস্ময়কর ঘটনা। যে অপরাধীরা দেশের জনগণের আমানত, দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা, দেশের অর্থনীতিকে খেলো মনে করে, তাদের মৃত্যুদণ্ডের মতো সাজা হওয়া উচিত মর্মে আদালত মনে করে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট আইনে সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন। এমতাবস্থায় অপরাধের সঙ্গে সরাসরি জড়িতদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলো।

সোনালী ব্যাংক থেকে প্রায় চার হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের ঘটনায় ২০১২ সালে হলমার্ক গ্রুপের মালিক, কর্মকর্তা এবং সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা হয়। এ মামলা তারই একটি।

রায়ে তানভীর ও জেসমিনকে দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫ কোটি টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একইসঙ্গে ৪২০ ধারায় সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে তাদের।

পূর্ববর্তী নিবন্ধপ্রধান আসামি ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার
পরবর্তী নিবন্ধহত্যাসহ ১৫ মামলার পলাতক আসামি খোরশেদ গ্রেপ্তার