আংশিক কমিটি ঘোষণার সাড়ে ৪ মাসেও হয়নি পূর্ণাঙ্গ কমিটি

মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ ।। স্থান পেতে ৫ শতাধিক কর্মীর অপেক্ষা

আজাদী প্রতিবেদন | বৃহস্পতিবার , ২৮ জুলাই, ২০২২ at ৪:০৫ পূর্বাহ্ণ

দীর্ঘ ২১ বছর পর প্রথমবারের মত চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল গত বছরের ১৯ জুন। সম্মেলনের ৯ মাস পর চলতি বছরের গত ১০ মার্চ রাতে দেবাশীষ নাথ দেবুকে সভাপতি ও আজিজুর রহমান আজিজকে সাধারণ সম্পাদক করে ২০ সদস্যের আংশিক চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি অনুমোদন দেয়া হয় ঢাকা থেকে। ঘোষিত আংশিক কমিটির তালিকার নিচে কেন্দ্রীয় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা দিয়েছিলেন ‘পরবর্তী সাত দিনের মধ্যে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি দেয়া হবে।’ আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে এখন সাড়ে ৪ মাস চলছে। এই সাড়ে ৪ মাসেও সেই আংশিক কমিটি আর পূর্ণাঙ্গ হয়ে উঠেনি। বর্তমান সভাপতি দেবাশীষ নাথ দেবু ও সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান আজিজের নেতৃত্বে আংশিক কমিটি নগরীতে সাংগঠনিক কার্যক্রম চললেও পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে স্থান পাওয়ার আশায় এখনো ৫ শতাধিক নেতাকর্মী অপেক্ষা করছেন। পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে কার ভাগ্যে কোন পদ জুটে এবং কারা বঞ্চিত হচ্ছেন তা নিয়ে উৎকন্ঠায় আছেন নেতাকর্মীরা। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় নেতাসহ নগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ স্থানীয় নেতাদের কাছে তদ্বিরও চালিয়ে যাচ্ছেন।
নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ এইচ এম জিয়া উদ্দিনসহ যুগ্ম আহ্বায়করা যখন ২০২১ সালের ১৯ জুন নগর স্বেচ্ছাসেক লীগের সম্মেলনের আয়োজন করেন তখন মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের নতুন কমিটির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য পদের জন্য তারা বায়োডাটা গ্রহণ করেছিলেন। তখন ৬শর অধিক বায়োডাটা তাদের কাছে জমা পড়েছিল। নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের নতুন কমিটির ব্যাপারে কেন্দ্রীয় দুই শীর্ষ নেতা গতকাল বুধবার আজাদীকে জানান, মহানগরীর পূর্ণাঙ্গ কমিটির জন্য ৬০০ এর অধিক সিভি থেকে দলের প্রকৃত ত্যাগী নেতাদের যাছাই বাছাই করতে একটু সময় লেগেছে। এছাড়াও সব কিছু গুছিয়ে আনার পর কেন্দ্রীয় সভাপতির আকস্মিক মৃত্যুর কারণে মহানগর কমিটি আর পূর্ণাঙ্গ হয়নি। যদিও এর আগে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক মিলে চট্টগ্রাম বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতারাসহ ১৮৫ জনের একটা প্রাথমিক তালিকা করা হয়েছে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধবিমর্ষ ছিলেন প্রদীপ, টলমল করছিল চোখ
পরবর্তী নিবন্ধসৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বেশি চট্টগ্রামে