প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে ‘কটূক্তি’ করা হয়েছে মর্মে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদের বিরুদ্ধে গত ৪ এপ্রিল চন্দনাইশে ঝাড়ু মিছিল হয়েছে। তার কুশপুত্তলিকা দাহ এবং তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়। কোন ‘কটূক্তি’ বা ‘ইতিহাস বিকৃতি’র কারণে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে তা জানাতে বিএনপির মহাসচিবকে এলডিপির পক্ষ থেকে পত্র দেওয়া হয়েছে। গত ৫ এপ্রিল অলি আহমদের ছেলে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক ওমর ফারুক স্বাক্ষরিত দলীয় প্যাডে দেওয়া পত্রে এ তথ্য জানা যায়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সাম্প্রতিক বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যম ও ভিডিও প্রতিবেদনে দেখা যায়, চন্দনাইশের গাছবাড়িয়া কলেজ গেট এলাকায় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট, খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. কর্নেল অলি আহমদ বীর বিক্রমকে (অব.) ‘রাজাকার’ আখ্যা দিয়ে তার বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল, কুশপুত্তলিকা দাহ, বিক্ষোভ মিছিল এবং তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার মতো কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। ভিডিও তথ্যচিত্রে দেখা যায়, একই সময়ে ‘এলডিপির আস্তানা জ্বালিয়ে দাও, পুড়িয়ে দাও’সহ বিভিন্ন হিংসাত্মক স্লোগান দেওয়া হয় এবং আমার নাম ও ছবি সম্বলিত বিলবোর্ড ধ্বংস করা হয়।
ড. অলি আহমদের কোন বক্তব্য/মন্তব্যকে ‘কটূক্তি’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে? উক্ত বক্তব্যের পূর্ণ উদ্ধৃতি, তারিখ, স্থান ও প্রেক্ষাপট কী? উক্ত বক্তব্যের ভিত্তিতে একজন মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে ‘রাজাকার’ আখ্যা দিয়ে এ ধরনের কর্মসূচি গ্রহণের দলীয় অনুমোদন বা সিদ্ধান্ত ছিল কিনা? বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এই কর্মসূচিকে সমর্থন করে কিনা? এমন ৪টি প্রশ্ন উল্লেখ করে পত্র প্রাপ্তির ৭ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে জানানোর অনুরোধ করা হয়। অন্যথায় প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হয়েছে বলে পত্রে উল্লেখ করা হয়।














