অর্থ পাচার একটি দেশের অর্থনৈতিক কাঠামোকে দুর্বল করে দেয়। দেশের আর্থ–সামাজিক অগ্রগতি ও উন্নয়ন সাধনে এ সমস্যা রোধ করতে হবে। এ জন্য সরকারি কৌসুলীদের সোচ্চার হতে হবে, ভূমিকা রাখতে হবে। এ সংক্রান্ত মামলাগুলোর বিচারে অধিকতর আন্তরিক হতে হবে। গতকাল নগরীর সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির প্যানেল আইনজীবী এবং রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত ‘সাকসেসফুল এ্যাডজুডিকেশন অফ লিগ্যাল এইড এন্ড মানি লন্ডারিং কেইসেস’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন।
ন্যাশনাল সেন্টার ফর স্টেট কোর্টস (এনসিএসসি) এবং জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি কর্মশালার আয়োজন করেন। বিচারপতি বলেন, অসহায়, অসচ্ছল, সহায় সম্বলহীন মানুষের সাংবিধানিক অধিকার বাস্তবায়নের জন্য সরকার আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেছে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে বিষয়টি পৌঁছে দিতে হবে। এ জন্য লিগ্যাল এইডের প্যানেল আইনজীবীদের ভূমিকা রাখতে হবে। আইনের চোখে সমতা ও আইনের আশ্রয় লাভের মৌলিক অধিকার বাস্তবায়নের জন্য আইনগত সহায়তা সংস্থার মাধ্যমে আইনি সেবা প্রদান বিষয়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে লিগ্যাল এইড প্যানেল আইনজীবীদের সাহসী ভূমিকা পালন করতে হবে। জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান এবং জেলা ও দায়রা জজ ড. আজিজ আহমদ ভূঞার সভাপতিত্বে এবং লিগ্যাল অফিসার সোফিয়া হাসিনের সঞ্চালনায় কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মহানগর দায়রা জজ জেবুন্নেছা, জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবুল বাশার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামরুন নাহার রুমী, জেলা পিপি শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. নাজিম উদ্দিন, মহানগর পিপি আব্দুর রশিদ, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এএসএম বজলুর রশিদ মিন্টু, এনসিএসসি বাংলাদেশের লিগ্যাল ম্যানেজার আবু ওবায়দুর রহমান। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম জেলা জজ মোহাম্মদ খাইরুল আমীন ও জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার (সিনিয়র সহকারী জজ) মুহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল। কর্মশালায় রিসোর্স পারসন হিসেবে ‘সাকসেসফুল এ্যাডজুডিকেশন অফ লিগ্যাল এইড এন্ড মানি লন্ডারিং কেইসেস’ বিষয়ক সেশন পরিচালনা করেন সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন।











