চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) নবনিযুক্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আবু তাহের বলেন, আমি তিনটা বিষয় নিয়ে কাজ করবো। শিক্ষা, গবেষণা এবং উন্নয়ন। আমাদের একটি একাডেমিক মাস্টার প্ল্যান থাকতে হবে, আগামী ৪১ (২০৪১) সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কোথায় যাবে? একটা দেশ বঙ্গবন্ধু রেখে গেছেন। সে দেশটা গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের সবার। এজন্য টিম ম্যানেজমেন্ট আকারে সবার সমন্বয়ে কাজ করতে হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট কক্ষে চবি সাংবাদিক সমিতির সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন নবনিযুক্ত উপাচার্য।
শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে উপাচার্য প্রফেসর আবু তাহের বলেন, যোগ্যতার ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। একজন অযোগ্য ব্যক্তিকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিলে তিনি ৪০ বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষতি করবেন। নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো ছাড় নেই। যেকোনো মূল্যে ভালো শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে।
এসময় গবেষণার ওপর জোর দিয়ে চবি উপাচার্য বলেন, ইউজিসিতে থাকায় আমি গতবছর কয়েকটা বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব নিই। সবগুলো র্যাংকিংয়ে ঢুকেছে। এরমধ্যে যশোর, কৃষি, শাহজালাল ও জাহাঙ্গীরনগর আছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ঢুকবে না কেন? আমি এসে শুনলাম আবেদনই করা হয়নি। আবেদনই না করলে কীভাবে বুঝবো আমরা কোন পর্যায়ে আছি? বছরে যদি দেড়শো আর্টিকেল পাবলিশড হয়, তাহলে আমি র্যাংকিংয়ের জন্য আবেদন করতে পারি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে টিচার আছে ১১০০ জন, তো দেড়শো আর্টিকেল হয়নি কেন?
ছাত্ররাজনীতি নিয়ে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো জায়গায় বিভিন্ন আদর্শ থাকবে। আমি নিজেও এক আদর্শের মানুষ। আমি একসময় ছাত্রসংগঠন করেছি, নির্বাচনও করেছি। তবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন রয়েছে, যা আমাকে নিরপেক্ষ অবস্থান নিতে বাধ্য করবে। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার জায়গা। এখানে সমাজ যা চায় তেমন কারিকুলাম করতে হবে। আমি ৩০–৪০ বছরের পুরোনো কারিকুলাম পড়াতে পারবো না। আমাদের কারিকুলাম চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চাহিদা অনুযায়ী হতে হবে।












