অনলাইন ক্লাসের পরিবর্তে সময় কমিয়ে সশরীরে পাঠদান চাই

| সোমবার , ৬ এপ্রিল, ২০২৬ at ৬:৪২ পূর্বাহ্ণ

বর্তমানে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট একটি রূঢ় বাস্তবতা, যার প্রভাব বাংলাদেশেও দৃশ্যমান। সরকার এই সংকট মোকাবিলায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে বিভিন্ন প্রশংসনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে অনলাইন ও অফলাইন এই দ্বিমুখী পাঠদান পদ্ধতির কথা শোনা যাচ্ছে। এতে সুফলের চেয়ে কুফল বেশি বয়ে আনবে। শিক্ষার্থীরা অনলাইনের বিভিন্ন সাইটে আসক্ত হওয়ার পাশাপাশি পড়াশোনায় বিমুখ হয়ে পড়বে। এতে তরুণদের একটি বিরাট সংখ্যক মেধাশূন্য হবার প্রবল শঙ্কা সৃষ্টি হবে। ইতিমধ্যে শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে এ নিয়ে উদ্বেগ ও নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। একটি সমৃদ্ধ ও মেধাবী জাতি গঠনের স্বার্থে, প্রয়োজনে ক্লাসের সময়সীমা কমিয়ে হলেও শিক্ষার্থীদের সরাসরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানমুখী রাখা জরুরি। জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অনলাইনে না নিয়ে বরং অন্য কোনো বিকল্প উপায়ে সমন্বয় করা হোক। আশা করি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সহানুভূতির সাথে বিবেচনা করবেন।

আবু বকর মুহাম্মদ হানযালা

শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

পূর্ববর্তী নিবন্ধকবিয়াল রমেশ শীল : কিংবদন্তি গণসঙ্গীত শিল্পী
পরবর্তী নিবন্ধআত্মবিশ্বাস ও ইতিবাচক মানসিকতাই এগিয়ে যাওয়ার মূল শক্তি