আমি লোকটাকে দীর্ঘদিন ধরে চিনি
এবং এখন চিনি না।
লোকটা দাঁড়িয়ে থাকবার কথা
কিন্তু এখন শয়নে অতিদীর্ঘ স্বপ্ন দেখছেন
এবং দেখতেই পারে!
আর একজন লোক অসীমে উড়াল দিয়ে
শরতের দুই চিমটি তুলোট শাদা নিয়ে
অনেকটা ঈগলের মতো পূর্ণশোয়া লোকটির
দুই নাসারন্ধ্রে শাদা গোলাপ বানিয়ে
সরে গেছে।
আমারও ইচ্ছে হলো কালিদাসী মেঘ হতে
এক মুঠো কালো রং নিয়ে এঁকে দিলাম
তুর পাহাড়ের ধোঁয়াশা সুরমা
লোকটার দুই চোখের পাতায়।
অতঃপর তৃতীয় লোকটি এসে কোজাগরী
পূর্ণিমার ধবধবে জোছনার আব্রু এনে
ঢেকে দিল দিগম্বর দেহ।
এখন লোকটা পৃথিবীর অংশ হয়ে
মিশে গেছে অলকানন্দের
নন্দিত প্রবহমান স্রোতজলে।
সে নাকি কাউকে ভোট দেবে না
না ঈশ্বর না অসুরকে…..
এবারের মতো।









