১৫ থানায় ১৫ তদারকি কমিটি গঠন

আহ্বায়ক হলেন যারা

আজাদী প্রতিবেদন | শুক্রবার , ২৮ জানুয়ারি, ২০২২ at ৭:৩৩ পূর্বাহ্ণ

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ৬ সদস্যের রিভিউ কমিটির সভায় কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী নগরীর ১৫টি থানায় ১৫টি সাংগঠনিক তদারকি কমিটি গঠন করা হয়েছে। নগর আওয়ামী লীগের একজন শীর্ষ নেতাকে আহ্বায়ক করে ১৫টি থানায় এই তদারকি কমিটি গঠন করা হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে শুধুমাত্র ১৫ থানার আহ্বায়কদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এই কমিটিতে সংশ্লিষ্ট থানাধীন সংসদ সদস্যরাও সদস্য হিসেবে থাকবেন। অবশিষ্ট ৩ সদস্যের নাম পরবর্তীতে ঘোষণা করা হবে বলে নগর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ১৫ থানার তদারকি কমিটির মধ্যে কোতোয়ালী থানার আহ্বায়ক হলেন নগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও সিডিএ চেয়ারম্যান এম. জহিরুল আলম দোভাষ, বন্দর থানার আহ্বায়ক হলেন নগর আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাজী জহুর আহমেদ, পাহাড়তলী থানার আহ্বায়ক নগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিক আদনান, ডবলমুরিং থানার আহ্বায়ক হলেন নগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, হালিশহর থানার আহ্বায়ক হলেন নগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি নঈম উদ্দীন চৌধুরী, খুলশী থানার আহ্বায়ক হলেন নগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম, পাঁচলাইশ থানার আহ্বায়ক হলেন নগর আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আহমেদুর রহমান সিদ্দিকী, বায়েজীদ থানার আহ্বায়ক হলেন নগর আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুক, সদরঘাট থানার আহ্বায়ক হলেন নগর আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মশিউর রহমান চৌধুরী, চকবাজার থানার আহ্বায়ক হলেন নগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, ইপিজেড থানার আহ্বায়ক হলেন নগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ আবদুচ ছালাম, আকবর শাহ্‌ থানার

আহ্বায়ক হলেন নগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন, পতেঙ্গা থানার আহ্বায়ক হলেন নগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, চান্দগাঁও থানার আহ্বায়ক হলেন নগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র এম. রেজাউল করিম চৌধুরী, বাকলিয়া থানার আহ্বায়ক হলেন নগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি এড. ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল।

গত ২৬ জানুয়ারি বুধবার সন্ধ্যায় দামপাড়াস্থ মরহুম জহুর আহমদ চৌধুরীর বাস ভবনে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দীন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত রিভিউ কমিটির দ্বিতীয় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন নঈম উদ্দিন চৌধুরী, এম. জহিরুল আলম দোভাষ, এম. রেজাউল করিম চৌধুরী, ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। সভার শুরুতে ১৫টি থানার তদারকি কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃবৃন্দের নাম ঘোষণা করা হয়।

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মহানগর আওয়ামী লীগের আওতাধীন ৪৩টি সাংগঠনিক ওয়ার্ডের ১২৯টি ইউনিটের মধ্যে ইতোমধ্যে ৯৯টি ইউনিটের সম্মেলন সম্পন্ন হয়েছে। গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোট এবং সর্বসম্মতভাবে নতুন কমিটি নির্বাচিত হয়েছে। এই সম্মেলনগুলো মহানগর কমিটির নির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবং মহানগরের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে বিধিবদ্ধভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে ক্ষেত্র বিশেষে দলের কারো কারো অভিযোগ থাকায় ১৬ জানুয়ারি ঢাকায় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশনা অনুযায়ী রিভিউ কমিটি অভিযোগগুলো যাচাই বাছাই করবে এবং গঠিত ১৫টি থানা তদারকি কমিটি ওয়ার্ডগুলোর বিদ্যমান সাংগঠনিক চিত্রের পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন ১৫ দিনের মধ্যে মহানগর কমিটিতে জমা দেয়ার পর তা পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য কেন্দ্রে পাঠানো হবে।

জানা গেছে, আগামী ডিসেম্বর মাসে জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। তার আগেই কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে সম্মেলনের মাধ্যমে ওয়ার্ড, থানা ও মহানগর কমিটিগুলো গঠিত হবে। আগামী নেতৃত্বেকে অধিকতর গতিশীল করা হবে।

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের প্রেরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ... নাছির উদ্দীন বলেছেন, ইউনিট সম্মেলন নিয়ে আনীত অভিযোগগুলোর মধ্যে যেগুলো কাল্পনিক ও উড়ন্ত সেগুলো সঙ্গতকারণে আমলে আনা হবে না। নেতৃত্বের ক্ষেত্রে কারো অযৌক্তিক ব্যক্তিগত পছন্দঅপছন্দ গুরুত্বপূর্ণ নয় এবং দলীয় ও সামষ্টিক স্বার্থটিই সবচেয়ে বড় ও প্রনিধানযোগ্য বিষয়। দলের ঐক্যই সাংগঠনিক শক্তির মূল ভিত্তি। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ ঐক্যের শক্তিতে বলীয়ান।

পূর্ববর্তী নিবন্ধচট্টগ্রামে বইমেলা শুরু ১৭ ফেব্রুয়ারি
পরবর্তী নিবন্ধরিভিউ কমিটির সাথে ২৩ থেকে ৪৩নং ওয়ার্ড নেতাদের বৈঠক