মহেশখালীর সোনাদিয়া দ্বীপে উপজেলা প্রশাসন, নৌবাহিনী, পুলিশ ও বনবিভাগের যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। গতকাল এ অভিযানে প্যারাবন (ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট) কেটে নির্মিত মৎস্য ঘেরের ৫টি অবৈধ স্থাপনা পুড়িয়ে ও গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।
মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হেদায়েত উল্লাহ বলেন, সোনাদিয়ায় অবৈধভাবে বনবিভাগের জায়গা দখল করে প্যারাবন কেটে তৈরি করা বেশ কয়েকটি চিংড়ি ঘের ইতিপূর্বেও কেটে দেওয়া হয়েছে। বিশাল এলাকায় তৈরি করা এসব বাঁধ অপসারণ করতে প্রচুর শ্রমিক ও অর্থের প্রয়োজন রয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জলবায়ু মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়ে ইতিপূর্বে বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। বরাদ্দ পেলে শীঘ্রই বড় পরিসরে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হবে। আজকে (শুক্রবার) চিংড়ি ঘেরের ৫টি অবৈধ স্থাপনা পুড়িয়ে ও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং ৬টি পানি চলাচলের গেট ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।
বন পরিবেশ ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বলেন, ইতিমধ্যে সোনাদিয়ার অবৈধ চিংড়িঘের ও বেড়িবাঁধ অপসারণ করার জন্য সাড়ে ছয় কোটি টাকার একটি বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে। বরাদ্দ পেলে সোনাদিয়ার জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু হবে।
প্যারাবন খেকোদের কঠোর বার্তা দিয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কন্টিনজেন্ট কমান্ডার আবদুল্লাহ আল মোমেন বলেন, ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট ধ্বংস করে পরিবেশ বিধ্বংসী কাজ যারা করে তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ নৌবাহিনী জিরো টলারেন্স ঘোষণা করছে। এ ধরনের পরিবেশ অপরাধীদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।