ষোলোতম দেশ হিসাবে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিয়েছে কলম্বিয়া। রাউন্ড অফ ৩২–র শেষ ম্যাচে লাতিন আমেরিকার দেশটি ১–০ ব্যবধানে হারাল ঘানাকে। ফিজিক্যাল ফুটবল আর দ্রুত পাল্টা আক্রমণের লড়াইয়ে জমে উঠেছিল কলম্বিয়া ও ঘানার ম্যাচ। শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করেন জন আরিয়াস। লুই দিয়াজের দারুণ অ্যাসিস্ট থেকে করা তার একমাত্র গোলে জয় পায় কলম্বিয়া। ম্যাচের শুরুতেই ঘানা আক্রমণে গিয়ে টমাস পার্টির শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট করে। তবে ৮ মিনিটের মধ্যেই চোটের কারণে বাধ্য হয়ে পরিবর্তন আনতে হয় কলম্বিয়াকে। জোন কর্ডোবার জায়গায় মাঠে নামেন লুই সুয়ারেজ। একই সময়ে ঘানার একাদশেও আসে পরিবর্তন, মারভিন সেনায়ার পরিবর্তে খেলেন আলিদু সেইদু। শুরু থেকেই ম্যাচে শারীরিক শক্তির প্রভাব স্পষ্ট ছিল। ১৪ মিনিটে ম্যাচের প্রথম বড় মুহূর্তে লিড নেয় কলম্বিয়া। লুই দিয়াজের নিখুঁত পাস থেকে ডান পায়ের জোরালো শটে গোল করেন আরিয়াস। গোলের পরও আক্রমণ অব্যাহত রাখে কলম্বিয়া। দিয়াজ নিজেও একটি হেডার মিস করেন। অন্যদিকে ঘানার গোলরক্ষক লরেন্স আতি–জিগি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে দলকে ম্যাচে রাখেন। প্রথমার্ধে ইনাকি উইলিয়ামস ও আন্তোয়ান সেমেনিয়োর একাধিক সুযোগ নষ্ট হয়। ৩৯ মিনিটে লুই দিয়াজের আরেকটি শট বাইরে চলে যায়। ইনজুরি টাইমে জোহান মোজিকার হেড দুর্দান্তভাবে রুখে দেন ঘানার গোলরক্ষক। ফলে বিরতিতে কলম্বিয়া এগিয়ে থাকে ১–০ ব্যবধানে। দ্বিতীয়ার্ধে কলম্বিয়া ব্যবধান বাড়ানোর চেষ্টা চালিয়ে যায়। ৪৮ মিনিটে রিচার্ড রিওসের শট বাইরে যায় এবং ৫৫ মিনিটে গুস্তাভো পুয়ের্তার প্রচেষ্টা ঠেকিয়ে দেন আতি–জিগি। ৫৬ মিনিটে লুই দিয়াজ গোল করলেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়। এরপরও দুই দলের আক্রমণ–পাল্টা আক্রমণে ম্যাচের উত্তেজনা বাড়তে থাকে। ৬৯ মিনিটে সেমেনিয়োর শট ব্লক হয়, ৭৭ মিনিটে কলম্বিয়ার হুয়ান ফার্নান্দো গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। শেষ দিকে ঘানা সমতা ফেরানোর চেষ্টা করলেও কলম্বিয়ার রক্ষণ ভেঙে দিতে ব্যর্থ হয় তারা। ৮১ মিনিটে ডেভিনসন স্যাঞ্চেজের হেডও দারুণভাবে রুখে দেন আতি–জিগি। রিচার্ড রিওস ও কাম্পাজের একাধিক শটও প্রতিহত করেন ঘানার গোলরক্ষক। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হলে ১–০ ব্যবধানেই জয় নিশ্চিত করে কলম্বিয়া।











