যমুনা অয়েল কোম্পানির অবসরপ্রাপ্ত সাবেক ম্যানেজার (শিপিং) মো. এমদাদুল হক ও তার স্ত্রী পারভীন আক্তারের ফ্ল্যাট, জমিসহ বিভিন্ন স্থাবর–অস্থাবর সম্পদ ক্রোকের আদেশ দিয়েছে আদালত। গত ২০ ফেব্রুয়ারি দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে চট্টগ্রামের মহানগর দায়রা জজ মো. নুরুল ইসলাম এ আদেশ দেন। তবে বিষয়টি গতকাল জানাজানি হয়। দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম–১ এর উপপরিচালক সুবেল আহমেদ দৈনিক আজাদীকে বলেন, তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে এমদাদুলের পাঁচলাইশ আবাসিক এলাকা তথা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের উত্তর গেট সংলগ্ন ইকুইটি এঙেলসিয়ায় থাকা এপার্টমেন্ট, হালিশহর হাউজিং এস্টেটে থাকা ২.৫ কাঠা জমি ও সাউথইস্ট ব্যাংক হালিশহর শাখায় থাকা এফডিআর ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন বিচারক। এছাড়া তার স্ত্রী পারভীন আক্তারের নামে হালিশহর হাউজিং এস্টেটে থাকা ৫ কাঠা জমি, মেহেদীবাগের ইকুইটি ফেয়ারিতে থাকা ১৮৬৮ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট ও সাউথইস্ট ব্যাংক হালিশহর শাখায় থাকা এফডিআর ক্রোক করা হয়েছে।
দুদক সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের ২ নভেম্বর যমুনা অয়েলের সাবেক কর্মকর্তা মো. এমদাদুল হক ও তার স্ত্রী পারভীন আক্তারের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করে দুদক। মামলা দুটি তদন্ত করছেন দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম–১ এর উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ হামেদ রেজা। মামলার এজাহারে বলা হয়, এ দম্পতি দুদকে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ১ কোটি ৫১ লাখ ৯৪ হাজার ৫৯১ টাকার স্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপন করেছেন। এছাড়া সরকারি চাকরি করা এমদাদুল ও তার স্ত্রী ৭৩ লাখ ১১ হাজার ৯২৮ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন।