খাগড়াছড়ির মাটিরাঙায় সাত ইউনিয়নের ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। কোথাও কোথাও বিচ্ছিন্ন সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে। মাটিরাঙা তবলছড়ি ইউনিয়নের নৌকার প্রার্থী ও আনারস প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। স্বতন্ত্র আনারস প্রার্থী মো. আবুল কাশেম ভূঁইয়া অভিযোগ করেন তার এজেন্টদেরকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের হস্তক্ষেপে পরিবেশ শান্ত হয়।
এছাড়া বিভিন্ন ইউনিয়নে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ হয়। নির্বাচনে মাটিরাঙার সদর ইউপিতে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হেমেন্দ্র ত্রিপুরা। তিনি পান ৩ হাজার ৬শ সাত ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনারস প্রতীকের প্রাথী ত্রিপন ত্রিপুরা পান ১৮শ ৫৪ ভোট। গোমতি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন নৌকা প্রতীকের মো. তফাজ্জল হোসেন । তার প্রাপ্ত ভোট ৫ হাজার ৯৩। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রাথী ফারুক হোসেন লিটন পায় ২২শ ৯ ভোট। তাইন্দং ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হন মো. পেয়ার আহম্মদ মজুমদার। তার প্রাপ্ত ভোট ৫ হাজার ৪শ ৭৫। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আনারস প্রতীকের হুমায়ন কবির পান ১ হাজার ৫০ ভোট। আমতলী ইউনিয়নে চেয়ারম্যন নির্বাচিত হন নৌকা প্রতীকের আব্দুল গণি। তিনি পেয়েছেন ৩ হাজার ১শ ১১ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী আনারস প্রতীকের জমির আলীর পান ১৮শ ১ ভোট। তবে এই রির্পোট লেখা পর্যন্ত বর্নাল ও তবলছড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে ফলাফল ঘোষণা করা হয়নি।












