সভ্যতায় কুঠারাঘাত নৃশংস পাশবিক দেয়াল।
অন্তযাত্রার পিহিত টলে চুরমার জীবন্ত নরশ্বাস।
ফাগুন বাগান ভেঙে ছিল দুস্য কুলাঙ্গার কৃপাণ।
বাজপাখির কালো নখরে কাপলিয়ে
লাল জ্বলজ্বল ঘা এক জাতির আদর্শ আবেগ।
হতাশা বীজ নোংরা বিষ্টায় ছড়িয়ে বিবেককণ্ঠ
গুমরে গুমরে কাঁদে।
ফাগুন থোকা থোকা লাল ফুল ঝরে
বিদ্বিষ্ট বৈরী বিষ মাখা পলায়।
এবার রূপ বদল আসে সন্তর্পণে বেড়াজাল রুখে,
গুটি গুটি পায়ে সভ্যতার গা মাখিয়ে,
কঠিন পাথর ঘেঁষে নতুন পল্লব গঁজে
বসন্ত আই কেন্ডি রকপর্বতমালা, জাতীয় উদ্যানে,
মাতৃ বাগানে ফোটে নতুন ফুল শিমুল বকুল।
ফাগুন কাঞ্চন রাঙা পাপড়ি সাজে রক্তিম কবর খানা,
শান্তি পায়রা দূত পরশ বুলায় হিম ফাগুন কুয়াশা,
বিজয়ডাক শোনায় বসন্ত চৈত্র খরখরে রোদ।












