বাকলিয়ায় শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ

ঘটনা জানাজানির পর এলাকাবাসীর বিক্ষোভ মাদ্রাসা ঘেরাও, অভিযুক্ত শিক্ষক গ্রেপ্তার

আজাদী প্রতিবেদন | মঙ্গলবার , ১৬ জুন, ২০২৬ at ৭:৪৭ পূর্বাহ্ণ

নগরীর বাকলিয়া থানাধীন পশ্চিম বাকলিয়ার শাহ আমানত হাউজিং সোসাইটিতে এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সোমবার ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর উত্তেজিত জনতা মাদ্রাসাটি ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন। এ সময় তারা মাদ্রাসা ঘেরাও করে পাথর ছুড়ে মারে এবং সাইনবোর্ড ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে বাকলিয়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে রাতে অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক নাসির উদ্দিনকে (২৭) গ্রেপ্তার করে।

বাকলিয়া থানার ওসি মো. জাহেদুল করিব ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তিনি জানান, মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের ঘটনায় মাদ্রাসা শিক্ষক মো. নাছির উদ্দিনকে আটক করা হয়েছে। এই ব্যাপারে মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে। তিনি জানান, ঘটনাটি কয়েকদিন আগের। আজকে (গতকাল) ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকাবাসী উত্তেজিত হয়ে মাদ্রাসাটি ঘেরাও করে রাখে। পুলিশ গিয়ে তাদেরকে শান্ত করান।

এলাকাবাসী জানান, পশ্চিম বাকলিয়ার শাহ আমানত হাউজিং সোসাইটি এলাকায় আজিজিয়া তদরীবুল কুরআন মাদ্রাসায় গত ১৩ জুন এক শিক্ষার্থীর ওপর যৌন নিপীড়ন চালান মাদ্রাসার শিক্ষক নাসির উদ্দিন। এই ঘটনায় ওই শিক্ষার্থী শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বাসায় বাবামা জানতে চাইলে শিক্ষার্থী বিষয়টি খুলে বলার পর তাকে চমেক হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

স্থানীয় যুবক রবিউল আলম ও সাইফুল ইসলাম জানান, এই মাদ্রাসা কী হয় কেউ জানে না। এখানে কেউ ঢুকতে পারে না। গত পরশু শিশুটির উপর মাদ্রাসায় এই শিক্ষক যৌন নিপীড়ন চালিয়েছেন।

গতকাল সন্ধ্যার পর বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে এলাকাবাসী বিক্ষুদ্ধ হয়ে মাদ্রাসাটি ঘেরাও করে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় বিক্ষুদ্ধ জনগণ মাদ্রাসায় পাথর ছুড়ে মারেন এবং ভাঙচুর করেন। এক পর্যায়ে পুলিশ এসে অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এলাকাবাসী রাত পর্যন্ত মাদ্রাসটি ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন।

পূর্ববর্তী নিবন্ধস্পেনকে রুখে দিয়ে কেপ ভার্দের রূপকথা
পরবর্তী নিবন্ধযুদ্ধ শেষ করতে চুক্তিতে সম্মত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান