হামজা চৌধুরী, শমিত সোম, ফাহামিদুল ইসলামের মতো প্রবাসীদের নিয়ে বাংলাদেশ দলের বদলে যাওয়ার প্রসঙ্গ উঠে এলো কিম সাং সিকের কণ্ঠেও। আজকের প্রীতি ম্যাচে হামজাকে আটকানোর কৌশল খুঁজছেন বলেও জানান ভিয়েতনাম কোচ। গত নভেম্বরে লাওসের বিপক্ষে ২–০ গোলে জয়ের পর এই প্রথম খেলতে নামছে ভিয়েতনাম। ওই জয়ের রেশ কিম সাং সিক টেনে নিতে চান বাংলাদেশের বিপক্ষেও। ম্যাচ পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘পুরো দল অনেকদিন পর একত্রিত হল। হোয়াং হেন সহ নতুন খেলোয়াড়দের নিয়ে আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। ভিয়েতনাম জাতীয় দল ভক্তদের আনন্দ দিতে ভালোভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে। দলে হোয়াং হেনকে পেয়ে আমি আনন্দিত। ভি–লিগে দীর্ঘ সময় খেলার পর অবশেষে সে জাতীয় দলের জার্সি পরার সুযোগ পেয়েছে। পাঁচ বছর পর, হেন তার যোগ্যতা প্রমাণ করেছে।’ ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের চেয়ে ৭৮ ধাপ এগিয়ে থাকলেও প্রতিপক্ষে সামর্থ্য নিয়ে সংশয় নেই ভিয়েতনাম কোচের। তার মনে হচ্ছে, হাভিয়ের কাবরেরার বর্তমান দল আগের চেয়ে শক্তিশালী অনেক। হামজাকে আটকাতে ভিডিও বিশ্লেষণ করার কথাও জানালেন কিম সাং সিক। ‘গত বছরের তুলনায় বাংলাদেশ দলে অনেক পরিবর্তন এসেছে, কোচিং স্টাফ থেকে শুরু করে স্কোয়াড পর্যন্ত, বিশেষ করে বিদেশে খেলা খেলোয়াড়দের অন্তর্ভুক্তির কারণে। তাদের মধ্যে কয়েকজন এর আগে এএফসি অনূর্ধ্ব–২৩ এশিয়ান কাপ ২০২৬ বাছাইপর্বে ভিয়েতনাম অনূর্ধ্ব–২৩ দলের মুখোমুখি হয়েছিল। আমি বিশ্বাস করি, তাদের বর্তমান স্কোয়াড আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।’ ‘আমি হামজার ব্যাপারে অবগত আছি। সে ইংল্যান্ডে খেলছে। আমার খেলোয়াড়দের সঙ্গে মিলে আমরা তাকে মোকাবেলা করার উপায় খুঁজে বের করতে তার ভিডিও বিশ্লেষণ করছি। আমাদের লক্ষ্য ম্যাচটি জেতা।’ ভিয়েতনাম অধিনায়ক দো দুয়ি মানের কণ্ঠেও কোচের সুর। ছক অনুযায়ী খেলে জয় পেতে মুখিয়ে তিনিও। ‘আমরা মনোযোগী থাকব, শৃঙ্খলার সঙ্গে খেলব এবং কোচিং স্টাফের নির্দেশনা মেনে চলব। যদিও এটি একটি প্রীতি ম্যাচ, আমরা জয়ের লক্ষ্য রাখব; কারণ এটি আমাদের ফিফা র্যাঙ্কিংকেও প্রভাবিত করে।’










