বস্ত্র খাতে নগদ সহায়তা ১.৫ থেকে বেড়ে হলো ৫%

| সোমবার , ১৩ জুলাই, ২০২৬ at ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ

বস্ত্র খাতে নগদ সহায়তা ১ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করেছে সরকার।

গেল ৫ জুলাই বাংলাদেশ ব্যাংক সার্কুলার জারি করে জানায়, ১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া ২০২৬২৭ অর্থবছরে আগের আর্থিক বছরের মতই রপ্তানিমুখী দেশি বস্ত্র ব্যবহার করে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ১ দশমিক ৫০ শতাংশ বিকল্প নগদ সহায়তা পাওয়া যাবে। দু্‌ই সপ্তাহের মাথায় সেই নির্দেশনা পরিবর্তন করে গতকাল রোববার নতুন সার্কুলার জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

তাতে বলা হয়েছে, রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পে দেশি সুতা বা কাপড় ব্যবহারে শুল্ক বন্ড ও ‘ডিউটি ড্রব্যাকের’ পরিবর্তে বিকল্প নগদ সহায়তার হার দেড় শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করা হল। খবর বিডিনিউজের।

এর মানে হচ্ছেযেসব তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সুতা ব্যবহার করবেন, তারাই বাড়তি এই নগদ সহায়তা পাবেন। বস্ত্র খাতের ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে নগদ সহায়তার হার বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

নতুন সার্কুলারে বলা হয়েছে, গত ৫ জুলাই জারি করা সার্কুলারে রপ্তানিমুখী দেশি বস্ত্র খাতে শুল্ক বন্ড ও ‘ডিউটি ড্রব্যাক’ এর পরিবর্তে বিকল্প নগদ সহায়তা ১ দশমিক ৫০ শতাংশ নির্ধারিত রয়েছে। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুসারে এই খাতে বিদ্যমান নগদ সহায়তা ১ দশমিক ৫০ শতাংশ হতে বৃদ্ধি করে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হল। এক্ষেত্রে রপ্তানিকারককে (বিজিএমইএ বা বিকেএমইএ বা অন্যান্য অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য) প্রণোদনা গ্রহণের পূর্বে দেশীয় উৎস থেকে কাঁচামাল (সুতা/কাপড়) সংগ্রহের প্রমাণক দাখিল করতে হবে।

বর্ধিত এই সুবিধা গত ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত জাহাজিকৃত পণ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে বলে সার্কুলারে তুলে ধরা হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় গত বৃহস্পতিবার এ নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে একটি নির্দেশনা পাঠায়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের গত ২৩ ডিসেম্বরের এক চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে এই নির্দেশনা জারি করা হয়।

পূর্ববর্তী নিবন্ধনামছে পানি, ভেসে উঠছে বন্যার ক্ষতচিহ্ন
পরবর্তী নিবন্ধগাঁজা রাখা ও সেবনের অভিযোগে চুয়েটের ৮ শিক্ষার্থী বহিষ্কার