চট্টগ্রাম বন্দরে অখালাসকৃত ১২৫ টন আপেল ও আদা নিলামে বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। ৪০ ফুট দৈর্ঘ্যের পাঁচ কন্টেনারের মধ্যে ২ কন্টেনারে আপেল রয়েছে ৪৭ হাজার ৪৪০ কেজি। কাস্টমস এসব আপেলের সংরক্ষিত মূল্য ধরেছে ৯২ লাখ ৮৩ হাজার ২৩৮ টাকা। এছাড়া তিন কন্টেনারে আদা রয়েছে ৭৮ হাজার ৩০০ কেজি। কাস্টমস এসব পণ্যের মূল্য ধরেছে ৮৭ লাখ ৭ হাজার ৮৫৯ টাকা। গতকাল চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানা গেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ৪ নভেম্বর (গতকাল) সকাল ৯টা থেকে আগামী ৯ নভেম্বর দুপুর ২টা পর্যন্ত অনলাইনে দরপত্র দাখিল করা যাবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগ্রহী ক্রেতারা ৫ নভেম্বর (আজ) অফিস চলাকালীন সময়ে সরেজমিনে পণ্যগুলো পরিদর্শন করতে পারবেন। পণ্য যে অবস্থায় রয়েছে, সেই অবস্থায় বিক্রি করা হবে। তাই দরপত্র দাখিলের আগে পণ্যের প্রকৃতি, পরিমাণ, গুণগত মান ও বর্তমান অবস্থা যাচাই করার পরামর্শ দিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। নিলামে অংশ নিতে নির্ধারিত সংরক্ষিত মূল্যের ৫ শতাংশ জামানত হিসেবে যেকোনো তফসিলি ব্যাংক থেকে কমিশনার, কাস্টম হাউস, চট্টগ্রাম বরাবর পে–অর্ডার, ব্যাংক ড্রাফট অথবা ডিমান্ড ড্রাফট জমা দিতে হবে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করতে হবে।
নিলামের দরপত্র আগামী ৯ নভেম্বর দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে কাস্টম হাউসের নিলাম শাখায় উন্মুক্ত করা হবে। সর্বোচ্চ দর অনুমোদিত হলে সংশ্লিষ্ট ক্রেতাকে ডাকমূল্যের ওপর ১০ শতাংশ অগ্রিম আয়কর ও ১৫ শতাংশ ভ্যাট পরিশোধ করতে হবে। এরপর প্রযোজ্য আইন ও বিধি অনুসরণ করে পণ্য খালাস নিতে হবে।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের নিলামের দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার নাজমুল হোসেন বলেন, পচনশীল পণ্য দীর্ঘদিন বন্দরে পড়ে থাকলে একদিকে যেমন পণ্যের গুণগত মান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে, অন্যদিকে বন্দরের মূল্যবান জায়গাও আটকে থাকে। এসব পণ্য দ্রুত নিষ্পত্তির মাধ্যমে বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, পণ্যজট নিরসন ও রাজস্ব আহরণ নিশ্চিত করতে নিলামের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগ্রহী ক্রেতারা সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শন করে নির্ধারিত নিয়মে নিলামে অংশ নিতে পারবেন।











