চট্টগ্রাম বন্দরে সরবরাহ না দিয়ে ৪ হাজার ২৫৬ লিটার ডিজেল সরানোর চেষ্টায় জড়িত থাকার অভিযোগে বন্দরের দুই কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের যান্ত্রিক বিভাগের জোনাল ওয়ার্কশপ–ডির জন্য যমুনা অয়েল কোম্পানি থেকে ১৮ হাজার লিটার ডিজেল সংগ্রহ করা হয়। এরমধ্যে ৪ হাজার ২৫৬ লিটার ডিজেল ভাউচার থেকে খালাস না করে বাইরে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর গোয়েন্দা সংস্থার চেষ্টায় জেটি অভ্যন্তরের ১ নম্বর গেট সংলগ্ন ক্যামিকেল শেডের বিপরীত পাশে ভাউচার দুইটি আটক করা হয়। এ সময় ভাউচার দুইটিতে ৪ হাজার ২৫৬ লিটার ডিজেল পাওয়া যায়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের দুই কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন, দায়দায়িত্ব নির্ধারণ এবং আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
বরখাস্ত হওয়া দুই কর্মচারী হলেন ভান্ডার রক্ষক মাহমুদুর রহমান মান্না এবং সিনিয়র স্টোরম্যান সঞ্জয় কুমার দে। গত ১৮ অক্টোবর চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মির্জা রাকিবুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাদের সাময়িক বরখাস্ত এবং তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়। বন্দর কর্তৃপক্ষের আদেশে বলা হয়েছে, গত ১৫ অক্টোবর যমুনা অয়েল পিএলসি থেকে জোনাল ওয়ার্কশপ–ডির জন্য ১৮ হাজার লিটার ডিজেল গ্রহণ করা হয়। ওই ডিজেলের সম্পূর্ণ অংশ ওয়ার্কশপের ফুয়েল ট্যাংকে না ঢুকিয়ে ৪ হাজার ২৫৬ লিটার ডিজেল বাইরে নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সংশ্লিষ্ট ভাউচার দুটি জেটি সংরক্ষিত এলাকা থেকে বের করে নেওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করা হয়েছিল।
এ ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক), জোন–সিকে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সিনিয়র পারসোনেল অফিসার (আইআর), সিনিয়র অডিট অফিসার এবং নিরাপত্তা অফিসার (প্রশাসন)। কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।












