রাউজান উপজেলার হালদা নদীতে নিখোঁজের ৫৭ ঘণ্টা পর কিশোর সাব্বিরের লাশ উদ্ধার করেছে নৌপুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে নদীর একটি চর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নৌপুলিশ সূত্র জানায়, উদ্ধারস্থল ঘটনাস্থল থেকে আনুমানিক সাড়ে তিন কিলোমিটার দূরে ছায়ারচর এলাকায়। চরটির অবস্থান নোয়াপাড়া ইউনিয়নের মোকামিপাড়া গ্রামের বিপরীতে, হাটহাজারী উপজেলা সংলগ্ন অংশে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার গভীর রাতে সাব্বিরসহ কয়েকজন বন্ধু রামদাস মুন্সিরহাট এলাকায় একটি ওরশ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে নৌকাযোগে হালদা নদী পাড় হয়ে রাউজানে নিজেদের বাড়িতে ফিরছিলেন। এ সময় পেছন থেকে আসা একদল কিশোর গ্যাং তাদের নৌকা আটকে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে। হামলার মুখে সাব্বিরসহ তার বন্ধুরা প্রাণ বাঁচাতে নদীতে ঝাঁপ দেন। অন্যরা সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও সাব্বির নিখোঁজ হন।
ঘটনার পর থেকেই পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসের সদস্য এবং স্থানীয় জনসাধারণ টানা ৫৭ ঘণ্টা ধরে নদীতে তল্লাশি চালান। অবশেষে মঙ্গলবার সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
হালদা পাড়ের নৌপুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) রমজান আলী জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাটহাজারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার কাজী তারেক আজিজ বলেন, ঘটনায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ।
নিহত সাব্বির উরকিরচর ইউনিয়নর ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মইশকরম গ্রামের আবদুল মান্নানের ছেলে।











