নগরীর দুই ওয়ার্ডে চসিকের মশক নিধনে ক্রাশ প্রোগ্রাম

মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে ধ্বংস

আজাদী প্রতিবেদন | বৃহস্পতিবার , ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ at ৫:৩৯ পূর্বাহ্ণ

ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়াসহ মশাবাহিত রোগের বিস্তার রোধে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) উদ্যোগে নগরের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চলমান বিশেষ মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম–এর পঞ্চম দিন ছিল গতকাল বুধবার। এদিন ২ (জালালাবাদ) ও ৭ নম্বর (পশ্চিম ষোলশহর) ওয়ার্ডে কর্মসূচি পালিত হয়।

চসিক সূত্রে জানা গেছে, ওয়ার্ড দুটির বিভিন্ন এলাকায় মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে ধ্বংস করা হয়। পাশাপাশি নালা–নর্দমা, ডোবা, জলাবদ্ধ স্থান, নির্মাণাধীন স্থাপনা ও পরিত্যক্ত স্থানে জমে থাকা পানিতে লার্ভিসাইড প্রয়োগ এবং মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের মশার প্রজননস্থল সম্পর্কে সচেতন করার পাশাপাশি নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার–পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানানো হয়।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে কুলসুম, মেয়রের ব্যক্তিগত সহকারী জিয়াউর রহমান জিয়া ও চসিকের মশক ও ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা শরফুল ইসলাম মাহি।

চসিকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আজিজ আহমদ জানান, শুধু ওষুধ প্রয়োগ নয়, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং নাগরিকদের সচেতন করার ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। মশক নিধন কার্যক্রমকে কার্যকর করতে সিটি কর্পোরেশনের পাশাপাশি নগরবাসীকেও নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও আশপাশে জমে থাকা পানি অপসারণ এবং পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমেই ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে টেকসই সাফল্য অর্জন সম্ভব।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ৩ সেপ্টেম্বর বিশেষ এ কর্মূসচি শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ২৪ নম্বর উত্তর আগ্রাবাদ ও ৩৭ নম্বর দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ড এবং আগামী ১২ সেপ্টেম্বর ৯ নম্বর উত্তর পাহাড়তলী ও ১০ নম্বর উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডে কর্মসূচি চলবে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধচট্টগ্রামে ডেঙ্গুতে নারীর মৃত্যু
পরবর্তী নিবন্ধচট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী