নগরীতে অনুমোদিত নকশার বাইরে ভবন নির্মাণের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ২০ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। গতকাল রোববার নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত এ অভিযানে তিনটি ভবন সিলগালা করা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিউবো) সহযোগিতায় পাঁচটি ভবনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।
সিডিএ সূত্র জানায়, কোতোয়ালী, খলিফাপট্টি, আবেদিন কলোনি, চকবাজার কাঁচাবাজার ও পাহাড়তলীর বিটাক এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোট সাতটি ভবন পরিদর্শন করা হয়। এ সময় অনুমোদিত নকশার ব্যত্যয় ঘটিয়ে নির্মিত ভবনের বিভিন্ন অংশ ভেঙে অপসারণ করা হয়। পাশাপাশি ভবন মালিকদের ভবিষ্যতে অনুমোদিত নকশা অনুসরণ করে নির্মাণকাজ পরিচালনার অঙ্গীকারনামা নেওয়া হয়।
অভিযানকালে আবেদিন কলোনি এলাকায় আটতলা ভবন নির্মাণের অনুমোদন নিয়ে ১১ তলা পর্যন্ত নির্মাণের প্রমাণ পাওয়া যায়। ভবন মালিকপক্ষের কাউকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। পরিদর্শনকালে সিডিএ টিম দেখতে পায়, একটি নির্মাণকাজের বিদ্যুৎ মিটারের মাধ্যমে ভবনটির ভাড়াটিয়াদের বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছিল। ভবনটিতে ভাড়াটিয়ারা বসবাস করায় মানবিক দিক বিবেচনায় সেটি সিলগালা না করে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।
সিডিএর চিফ স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও ইমারত নির্মাণ কমিটি–২–এর চেয়ারম্যান মোহাং মনজুর হাসান এবং অথরাইজড অফিসার–২ তানজিব হোসেনের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযান শেষে মোহাং মনজুর হাসান বলেন, অনুমোদিত নকশার ব্যত্যয় ঘটিয়ে ভবন নির্মাণ ও অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে সিডিএর অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তানজিব হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম মহানগরীকে পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় নগরীর বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়েছে। ভবন নির্মাণে নিয়ম মানা নিশ্চিত করতে প্রতি মাসে দুই থেকে তিনটি অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। ভবন মালিকদের সিডিএর অনুমোদিত নকশা অনুসরণ করে নির্মাণকাজ পরিচালনার আহ্বান জানান তিনি।
অভিযানে সিডিএর সহকারী অথরাইজড অফিসার ইলিয়াস আকতার, মোহাম্মদ হামিদুল হক, ইমারত পরিদর্শক এবং ম্যাজিস্ট্রেট শাখার কর্মকর্তারা অংশ নেন।










