টেক্সাসে হচ্ছে গুগলের বিশাল ডেটা সেন্টার, বাড়ছে পরিবেশগত ঝুঁকি

| রবিবার , ৫ জুলাই, ২০২৬ at ১০:৫৬ পূর্বাহ্ণ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) চালাতে প্রয়োজনীয় ডেটা সেন্টার অবকাঠামো দ্রুত বাড়াচ্ছে বড় সব প্রযুক্তি কোম্পানি। তবে, এ বিস্তারে সম্ভবত সবচেয়ে আগ্রাসী কোম্পানিটি গুগল। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে গুগলের এই সমপ্রসারণের সঙ্গে সঙ্গে পানি ব্যবহার, বিদ্যুৎ চাহিদা, কার্বন নিঃসরণ এবং সম্ভাব্য বায়ুদূষণ নিয়ে নতুন উদ্বেগও সামনে আসছে। খবর বিডিনিউজের।

গুগল ২০২৭ সালের মধ্যে টেক্সাসে ডেটা সেন্টার অবকাঠামো ও সংশ্লিষ্ট প্রকল্পে প্রায় ৪ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে। বিশাল এই বিনিয়োগ স্পষ্ট করে দিচ্ছে, এআই অবকাঠামোর পরিবেশগত ব্যয় কত দ্রুত বাড়ছে। টেক্সাসের রাজনৈতিক বাস্তবতাও এই বিতর্ককে আরও জটিল করে তুলেছে। রিপাবলিকানশাসিত রাজ্যটি সাধারণত বড় প্রযুক্তি বিনিয়োগকে স্বাগত জানায়। ব্যবসাবান্ধব নীতি, কম কর এবং তুলনামূলক শিথিল নিয়ন্ত্রণের কারণে গুগলের মতো কোম্পানিগুলো এখানে দ্রুত সমপ্রসারণের সুযোগ পাচ্ছে। আর সেই পথ ধরেই অঙ্গরাজ্যটিতে বাড়ছে পরিবেশগত ঝুঁকি।

বড় ৩ চ্যালেঞ্জ : বিদ্যুৎ, পানি ও শীতলীকরণ : এআই চালাতে ব্যবহৃত সার্ভারগুলো বিপুল পরিমাণ তাপ উৎপন্ন করে। তাই ডেটা সেন্টার ঠান্ডা রাখতে শক্তিশালী কুলিং ব্যবস্থা দরকার হয়। ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি (আইইএ) বলছে, ২০২২ সালে ডেটা সেন্টার ও ডেটা ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক মিলিয়ে বিশ্বে প্রায় ৪৬০ টেরাওয়াটঘণ্টা বিদ্যুৎ খরচ হয়েছে যা বৈশ্বিক বিদ্যুৎ চাহিদার প্রায় ২ শতাংশ। আর এ বছরই এই চাহিদা সম্ভবত হাজার টেরাওয়াটঘণ্টা ছাড়িয়ে যাবে। ডেটা সেন্টারের পানি ব্যবহার শুধু সরাসরি শীতলীকরণেই সীমাবদ্ধ নয়, বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্যও অতিরিক্ত পানি লাগে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধইউক্রেনের শহর কোস্তিয়ান্তিনিভ্‌কা দখলের দাবি রাশিয়ার
পরবর্তী নিবন্ধওদের একদম ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছি : ইরান প্রসঙ্গে ট্রাম্প